ইনস্টাগ্রামে ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, 'পোষ্য কোনও জিনিস নয়, তারা পরিবারেরই সদস্য। তাদের যত্ন নেওয়া, ভালোবাসা দেওয়া ও সম্মান করা আমাদের দায়িত্ব। কোথাও কোনও পশুর উপর নির্যাতন দেখলে তার বিরুদ্ধে আমরা কড়া আইনি পদক্ষেপ করব।'

ভাইরাল ভিডিও
শেষ আপডেট: 3 July 2025 15:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বারবার মাটিতে আছাড়। ছুঁড়ে দিচ্ছন উপরে। পোষ্য বিড়ালকে (CCTV Video Shows Pune Woman Slamming Her Pet Cat) নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়ল সিসিটিভি-তে। মহারাষ্ট্রের পুনের (Pune Viral Video) এই ঘটনা সামনে আসতেই তীব্র ক্ষোভ নেটপাড়ায়। ভিডিও শেয়ার করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন ‘সোসাইটি ফর অ্যানিমাল সেফটি’র সদস্য নীতেশ খারে। অভিযোগের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যেই তরুণীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, এক তরুণী তাঁর পোষ্য বিড়ালটিকে বারবার মাটিতে আছাড় মারছেন। পোষ্যটিকে উপরের দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছেন। বিড়ালটি ভয় পালিয়ে যেতে চাইলে তাকে টেনে এনে আবার মারধরও করছেন। শেষে তাকে অন্যদিকে ছুঁড়ে ফেলে দেন।
এই ঘটনার ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন পশু সুরক্ষা সংস্থা ‘সোসাইটি ফর অ্যানিমাল সেফটি’র সদস্য নীতেশ খারে। তিনি জানান, অভিযুক্ত তরুণী ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে পুনেতে তাঁর লিভ ইন পার্টনারের সঙ্গে থাকেন। পরিচয় জানা গেলেও, নিরাপত্তার কারণে তরুণীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
নীতেশ বলেন, 'পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। ওই তরুণী ও তাঁর সঙ্গীকে আটক করে তাঁদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে, এই ধরনের আচরণ কতটা অন্যায়। বিড়ালটিকে উদ্ধার করে আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি ওকে একটি ভালো ফস্টার হোমে পাঠানো হবে।' পুলিশ এই ঘটনার ভিত্তিতে একটি নন-কগ্নিজেবল (NC) মামলা রুজু করেছে।
ইনস্টাগ্রামে ভিডিওর (Instagram Video) ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, 'পোষ্য কোনও জিনিস নয়, তারা পরিবারেরই সদস্য। তাদের যত্ন নেওয়া, ভালোবাসা দেওয়া ও সম্মান করা আমাদের দায়িত্ব। কোথাও কোনও পশুর উপর নির্যাতন দেখলে তার বিরুদ্ধে আমরা কড়া আইনি পদক্ষেপ করব।'
ভিডিওটি ভাইরাল (Viral Video) হওয়ার পর একের পর এক মন্তব্যে উত্তাল হয়ে ওঠে নেটপাড়া। একজন লেখেন, 'এই মেয়েটা ঠিক আছে তো? মানসিকভাবে বিপর্যস্ত না হলে কেউ পশুর উপর এমন আচরণ করতে পারে না।' আর একজন মন্তব্য করেন, 'শুধু বুঝিয়ে দেওয়া যথেষ্ট নয়। এটা অপরাধ। এর আইনি সাজা হওয়া উচিত।' আরও একজন বলেন, 'এমন কাজ যারা করে, তাদের সমাজের সামনে জবাব দিতে বাধ্য করা উচিত।' কেউ আবার লিখেছেন, 'যারা পশু বা শিশুর উপর অত্যাচার করে, তাদের পরিচয় গোপন রাখার কোনও মানে হয় না। ওদের পরিচয় সামনে আনা জরুরি।'