Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

দিল্লিতে দেশের প্রথম ই-ওয়েস্ট পার্ক, আর যেখানে সেখানে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ফেলা যাবে না

যেখানে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (Electronic Waste)—যেমন পুরনো কম্পিউটার, মোবাইল, টিভি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি—বিজ্ঞানসম্মতভাবে রিসাইকল করে আবার ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে।

দিল্লিতে দেশের প্রথম ই-ওয়েস্ট পার্ক, আর যেখানে সেখানে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ফেলা যাবে না

দেশের প্রথম ই-ওয়েস্ট ইকো পার্ক তৈরি করতে চলেছে দিল্লি।

শেষ আপডেট: 10 June 2025 07:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের প্রথম ই-ওয়েস্ট ইকো পার্ক (E Waste Eco Park) তৈরি করতে চলেছে দিল্লি (Delhi)। জায়গা ঠিক হয়েছে হলম্বি কালানে (Holambi Kalan)। যেখানে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (Electronic Waste)—যেমন পুরনো কম্পিউটার, মোবাইল, টিভি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি—বিজ্ঞানসম্মতভাবে রিসাইকল করে আবার ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে।

এই পার্ক তৈরি হচ্ছে ১১.৪ একর জমির উপর, যেখানে বছরে প্রায় ৫১ হাজার মেট্রিক টন ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করা যাবে। জানা গিয়েছে, এখানে কাজ হবে ১০৬ ধরনের ই-বর্জ্য নিয়ে, যেগুলো ভারত সরকারের ২০২২ সালের নিয়মে বলা আছে।

এই প্রকল্পে ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে, আর বছরে আয় হবে আনুমানিক ৩৫০ কোটি টাকা। দিল্লির প্রায় ২৫ শতাংশ ই-বর্জ্য এই পার্কে ডাঁই করা যাবে। পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা বলেন, "আগের মতো যা খুশি যেখানে খুশি ফেলে দেওয়ার দিন শেষ। এখন আমরা পরিবেশ, শিল্প আর সমাজ—সব দিক থেকেই এগিয়ে চলেছি।"

১৮ মাসে শেষ হবে কাজ
এই ইকো পার্ক ১৮ মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে। তৈরি হবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে। কাজটা করবে সেই সমস্ত সংস্থা যারা 'রিসাইক্লিংয়ের' আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। খুব তাড়াতাড়ি আন্তর্জাতিক টেন্ডার ডাকা হবে এই কাজের জন্য।

কেন এই পার্ক জরুরি?
ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ই-বর্জ্য উৎপাদক দেশ। প্রতি বছর দেশে তৈরি হয় ১৬ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ই-বর্জ্য। এর মধ্যে দিল্লি থেকেই আসে প্রায় ৯.৫ শতাংশ। কিন্তু এত বর্জ্যের মধ্যে খুব কমই বিজ্ঞানসম্মতভাবে রিসাইকল হয়। ফলে কপার, লিথিয়াম, রেয়ার আর্থ মেটালের মতো মূল্যবান উপাদান নষ্ট হয়। এই পার্ক তৈরির ফলে তা আর হবে না। ই-বর্জ্য থেকে উপাদান ছেঁকে নতুনভাবে তা ব্যবহার করা যাবে।

শুধু পরিবেশ নয়, কাজও তৈরি হবে
এই ইকো পার্ক শুধু বর্জ্যই সামলাবে না, কাজও দেবে হাজার হাজার মানুষকে। এখন যাঁরা এই ধরনের কাজ করেন—যেমন যন্ত্র ভাঙেন, খুচরো যন্ত্রাংশ জোগাড় করেন, তাঁদের জন্য এই ইকো পার্ক হবে নিরাপদ স্থায়ী রোজগারের জায়গা।

সরকার জানাচ্ছে, দিল্লির এই পার্ক দেশের জন্য উদাহরণ হয়ে উঠবে। পরবর্তীতে আরও তিনটি জায়গায় এমন পার্ক তৈরি করার পরিকল্পনা আছে।


```