গত ফেব্রুয়ারি মাসে নদিয়ার কালীগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে বিধায়ক শূন্য হওয়া আসনে ভোট হবে।

নির্বাচন কমিশন (ছবি-গুগল)
শেষ আপডেট: 25 May 2025 19:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী মাসেই বাংলার এক বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-Election)। পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ চার রাজ্যে ফের বাজল ভোটের বাদ্যি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে নদিয়ার কালীগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে বিধায়ক শূন্য হওয়া আসনে ভোট হবে। অন্যদিকে, গুজরাত, কেরল, পাঞ্জাবেও উপনির্বাচন হবে। রবিবারই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)।
আগামী ১৯ জুন কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী নাসিরুদ্দিন আহমেদ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭০। তারপর থেকেই বিধায়কহীন কালীগঞ্জ কেন্দ্র। সেই ফাঁকা জায়গা পূরণ করতেই উপনির্বাচন প্রয়োজন।
কেরলের একটি বিধানসভা কেন্দ্র- নীলাম্বুর, গুজরাতের দুই কেন্দ্র- বিসবদর, কাঁদি এবং পাঞ্জাবের লুধিয়ানা পশ্চিমে উপনির্বাচন হবে আগামী মাসের ১৯ তারিখেই। অর্থাৎ একইদিনে দেশের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ফল ঘোষণা হবে আগামী ২৩ জুন।
কেরলের নীলুম্বরের নির্দল বিধায়ক পিভি আনোয়ার চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হাত ধরেই ঘাসফুলে যোগদান করেন তিনি। তারপরেই বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দেন। আগামী মাসে আনোয়ারের ছেড়ে আসা আসনেই উপনির্বাচন হবে। বাকি তিন কেন্দ্রতেও কোথাও বিধায়কের মৃত্যু কিংবা বিধায়ক আসন ছেড়ে অন্য দলে যোগদান করায় উপনির্বাচন প্রয়োজন।
পশ্চিমবঙ্গে পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ (2026 Assembly Election)। বাকি রয়েছে কয়েকটা মাস। এখন থেকেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, একটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হলেও হিসেব কষেই প্রার্থী দেবে শাসক-বিরোধী। যেহেতু বিধানসভা ভোটের আর কয়েক মাস বাকি তাই বিশেষ গুরুত্ব পাবে এই উপনির্বাচন (By Election)।
২০২১-এ একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গঠন করেছিল তৃণমূল। এরপর বাংলায় যতগুলি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে, বিরোধীদের একটুকুও জমি ছাড়েনি তারা। ২০০টিরও বেশি কেন্দ্রে জয় পেয়েছিল শাসক দল।
এদিকে, লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে হাজি নুরুল ইসলামকে প্রার্থী করেছিল ঘাসফুল শিবির। বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন তিনি। কয়েকমাসের মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় তাঁর। হাজি নুরুলের ইসলামের প্রয়াণে বসিরহাটের সাংসদের আসন খালি। এই লোকসভা কেন্দ্রে কবে উপনির্বাচন হবে, তা এখনও জানায়নি কমিশন।