অপরাধের তুলনায় গুরু দণ্ড দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পকে। একই মামলায় দোষী সাব্যস্ত তাঁর দুই পুত্র। রায় ঘোষণার পর উচ্ছ্বসিত ট্রাম্প তাঁর সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্পেশ্যালে লিখেছেন, দারুণ খবর। আপিল আদালতের বিচারপতিকে কৃতজ্ঞতা ন্যায় বিচার করায়। ট্রাম্প এই রায়কে তাঁর বিজয় বলে ঘোষণা করেছেন।

শেষ আপডেট: 22 August 2025 14:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাঙ্ক থেকে সুবিধাজনক শর্তে ঋণ পেতে নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পত্তি বাড়িয়ে দেখিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই অভিযোগে নিউইয়র্কের একটি আদালত তাঁকে জালিয়াতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছিল। ভারতীয় সময় শুক্রবার ভোরে নিউইয়র্কের আপিল আদালত ট্রাম্পকে বিপুল অঙ্কের জরিমানা থেকে অনেটাই রেহাই দিয়েছে। আপিল আদালতের বক্তব্য, অপরাধের তুলনায় গুরু দণ্ড দেওয়া হয়েছে ট্রাম্পকে। একই মামলায় দোষী সাব্যস্ত তাঁর দুই পুত্র। রায় ঘোষণার পর উচ্ছ্বসিত ট্রাম্প তাঁর সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্পেশ্যালে লিখেছেন, দারুণ খবর। আপিল আদালতের বিচারপতিকে কৃতজ্ঞতা ন্যায় বিচার করায়। ট্রাম্প এই রায়কে তাঁর বিজয় বলে ঘোষণা করেছেন।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা যখন দায়ের হয় তিনি তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। তবে এখন সর্ব শক্তিমান প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হলেও সাজা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তিনি। এমনকী জরিমানার অঙ্ক কমানোর রায়ের বিরোধিতা করতে উচ্চতর আদালতে যাবে মার্কিন বিচারমন্ত্রক। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন প্রেসিডেন্টকে সাজা থেকে রেহাই দেয়নি। এটা আমাদের বিরাট জয়। আমরা জরিমানা অঙ্ক বহাল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালাব। নিম্ন আদালতের বিচারক এনগোরন ট্রাম্পকে প্রথমে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছিলেন। কিস্তিতে পরিশোধ করলে সেই অঙ্ক বেড়ে হত ৫০০ মিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, নিউইয়র্কের আপিল আদালতের বিচারপতি পিটার মিলটন, বৃহস্পতিবারের রায়ে বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর ছেলেরা অবশ্যই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তাঁরা নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমাণ জালিয়াতি করে বাড়িয়ে দেখিয়েছিলেন। এজন্য ব্যাঙ্কের ক্ষতিপূরণ বাবদ জরিমানার টাকা অবশ্যই দিতে হবে। তবে এই অপরাধে ৫০০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা বড্ড বেশি।
এই রায়কে হাতিয়ার করে ট্রাম্প আরও বলেছেন, নিম্ন আদালতের রায়ের উদ্দেশ্য ছিল তাঁর ব্যবসা ধ্বংস করা।গোটা নিউইয়র্কের ব্যবসায় এর প্রভাব পড়ত। আমি আপিল বিভাগের বিচারপতির সাহসিকতার প্রশংসা করছি।
জবাবে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি লেটিশিয়া জেমস বলেন, আপিল বিভাগের রায়ে আমরা খুশি নই। আমরা উচ্চ আদালতে গিয়ে জরিমানার পুরনো অঙ্কই আদায় করার চেষ্টা চালাব। দএ বছর আগে ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লেটিশিয়া জেমসই জালুয়াতির মামলাটি দায়ের করেছিলেন।