প্রসঙ্গত, মাত্র এক সপ্তাহ আগেই পাটনার গান্ধী ময়দানের কাছে নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয়েছিল ব্যবসায়ী গোপাল খেমকাকে। সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রাজধানীতে প্রকাশ্যে খুন।

ব্যবসায়ী খুনের এক সপ্তাহের মধ্যে ফের উত্তপ্ত পাটনা
শেষ আপডেট: 13 July 2025 15:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় ফের উত্তপ্ত পাটনা (BJP Leader murder)। শনিবার রাতে একদল দুষ্কৃতী বিজেপি নেতা সুরেন্দ্র কেওয়াতকে (৫২) লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ব্যবসায়ী গোপাল খেমাক খুনের এক সপ্তাহ পরই আরও একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড (BJP leader shot dead in Patna) ঘিরে উদ্বেগের মহল তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে পাটনার পিপরা থানার অন্তর্গত শেখপুরা গ্রাম এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। সুরেন্দ্র কেওয়াত রাতের খাবার খেয়ে বাইকে করে সেচের জল বন্ধ করতে মাঠের পাশে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথেই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে তাড়া করে। এরপর তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। সেইসময় কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখপুরা গ্রামের বাসিন্দা সুরেন্দ্র কেওয়াত পেশায় একজন পশুচিকিৎসক ও চাষি ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকলেও বিজেপিতে কোনও পদে ছিলেন না। তবে এলাকায় তিনি ‘বিজেপি ঘনিষ্ঠ' বলেই পরিচিত ছিলেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পিপরা থানার পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে দুষ্কৃতীদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এই ঘটনায় ফের বিহারের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। রবিবার এক্সে পোস্ট করে তিনি লেখেন, 'এবার বিজেপি নেতাকেই গুলি করে খুন করা হল! এখন আর কার সঙ্গে কথা বলব? কে শুনবে? এনডিএ সরকারের কি কেউ দায় নিচ্ছে না?’’ তিনি আরও লেখেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা সকলেই জানেন। কিন্তু বিজেপির দু’জন ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী কী করছেন? কেন চুপ করে রয়েছেন?'
প্রসঙ্গত, মাত্র এক সপ্তাহ আগেই পাটনার গান্ধী ময়দানের কাছে নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয়েছিল ব্যবসায়ী গোপাল খেমকাকে। সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রাজধানীতে প্রকাশ্যে খুন। একের পর এক এই ঘটনায় বিহারে প্রশাসনিক শিথিলতা নিয়েই এখন সরগরম রাজনীতি।