Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

উত্তরপ্রদেশে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত দম্পতির ফাঁসির সাজা, 'বিরলতম ঘটনা' বলল আদালত

দীর্ঘ এক দশক ধরে একাধিক জেলায় সংগঠিত হয়েছে এই নৃশংসতা। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বান্দা ও চিত্রকূটে ধারাবাহিকভাবে শিশুদের টার্গেট করা হয়। রামভবন সেচ দফতরে নিম্নপদস্থ প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

উত্তরপ্রদেশে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত দম্পতির ফাঁসির সাজা, 'বিরলতম ঘটনা' বলল আদালত

দোষী সাব্যস্ত দম্পতি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 21 February 2026 10:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের বান্দায় শিশু নির্যাতনের (Uttar Pradesh Child Abuse) এক ভয়াবহ মামলায় দোষী সাব্যস্ত দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত (UP Couple Death Sentence)। বিশেষ শিশু সুরক্ষা আইনের অধীন গঠিত আদালতের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত রামভবন এবং তাঁর স্ত্রী দুর্গাবতীর বিরুদ্ধে ৩৩ জন শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্যাতিতদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র তিন বছর।

আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘ এক দশক ধরে একাধিক জেলায় সংগঠিত হয়েছে এই নৃশংসতা। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বান্দা ও চিত্রকূটে ধারাবাহিকভাবে শিশুদের টার্গেট করা হয়। রামভবন সেচ দফতরে নিম্নপদস্থ প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শিশুদের প্রলোভন দেখাতে তিনি নানা কৌশল নিতেন - অনলাইনে খেলাধুলার সুযোগ, টাকা, উপহার ইত্যাদি দিয়ে তাদের ফাঁদে ফেলতেন।

তদন্তে নেমে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আনে। একাধিক শিশুর দেহে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। কারও কারও গোপনাঙ্গে আঘাত এতটাই মারাত্মক ছিল যে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছে। কয়েকজনের চোখে আঘাতেরও প্রমাণ মেলে। অধিকাংশই এখনও গভীর মানসিক আঘাতের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

২০২০ সালের অক্টোবরে অভিযোগ দায়েরের পর শুরু হয় তদন্ত। শিশুদের চিকিৎসা পরীক্ষার পাশাপাশি মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক এবং শিশু সুরক্ষা সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় রেখে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণে। এই সুসংহত তদন্তের ভিত্তিতেই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে।

রায়ে আদালত জানায়, অপরাধের প্রকৃতি এবং নিষ্ঠুরতার মাত্রা বিচার করলে এটি ‘অত্যন্ত বিরলতম’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। একাধিক জেলায় দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত এই অপরাধ এবং নৈতিক অবক্ষয়ের চরম উদাহরণ হিসেবে দোষীদের ক্ষেত্রে সংশোধনের কোনও সুযোগ নেই বলেই মত আদালতের। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে সর্বোচ্চ দণ্ডই প্রযোজ্য।

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রত্যেক নির্যাতিতকে দশ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া অর্থও সমানভাবে ভাগ করে দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, শিশুদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ জারি থাকবে।


```