অভিযোগ, কিছুদিন ধরেই বিজয় সন্দেহ করতেন, ধনঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি একবার তাঁদের আপত্তিকর অবস্থাতেও ধরে ফেলেছিলেন। এমনকি তাঁদের একসঙ্গে থাকার ছবিও হাতে পান। বিষয়টি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে প্রচণ্ড অশান্তি হয়

৩০ বছরের বন্ধুত্বে 'রক্তাক্ত' পরিণতি
শেষ আপডেট: 13 August 2025 12:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর পরকীয়া সম্পর্কের আঁচ আগেই পেয়েছিলেন। আর সেই মাসুল দিতে গিয়েই খুন হতে হল বেঙ্গালুরুর যুবককে (Bengaluru Man killed by friend)। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। মৃতের স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর। ষড়যন্ত্র করেই খুন কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিজয় কুমার ও ধনঞ্জয় ওরফে জয় প্রায় ত্রিশ বছরের বন্ধু। স্কুল, কলেজ- ছেলেবেলা একসঙ্গেই কেটেছে দু'জনের। পরবর্তীতে তাঁরা একসঙ্গেই সুনকাডাকাট্টে এলাকায় চলে আসেন। একে অপরের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল জয়-বিজয়ের। বছর দশেক আগে আশার সঙ্গে বিয়ে হয় বিজয়ের। তারপর থেকে দম্পতি কামাক্ষীপাল্যায় থাকতে শুরু করেন।
অভিযোগ, কিছুদিন ধরেই বিজয় সন্দেহ করতেন, ধনঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি একবার তাঁদের আপত্তিকর অবস্থাতেও ধরে ফেলেছিলেন। এমনকি তাঁদের একসঙ্গে থাকার ছবিও হাতে পান। বিষয়টি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে প্রচণ্ড অশান্তি হয়, পাশাপাশি স্ত্রীর সঙ্গেও সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হয়। বিয়ে টিকিয়ে রাখতে বিজয় স্ত্রী ও পরিবারকে নিয়ে অন্যত্র চলে যান। তবে তাতেও আশা ও ধনঞ্জয়ের সম্পর্ক বজায় ছিল বলে অভিযোগ।
ঘটনার দিন বিজয় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলেন। পরে বাইরে বেরিয়ে আর ফেরেননি। খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয় এক নির্জন এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধনঞ্জয় ও আশা মিলেই যুবককে খুনের পরিকল্পনা করেছেন। ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন ধনঞ্জয়। তবে জানা গেছে, আশাকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে।