গত শনিবার রাখি পূর্ণিমার দিন কাকার বাড়ি যায় অভিযুক্ত সুরজিৎ। বোনের কাছ থেকে রাখিও বাঁধেন। এরপর নিজের কাজে বেরিয়ে যান। অভিযোগ, রাতে মদ্যপ অবস্থায় আবার ওই বাড়ি আসেন যুবক।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 13 August 2025 09:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিবারের মতো এবারও দাদার হাতে রাখি বেঁধেছিল কিশোরী বোন। কিন্তু তখনও হয়তো জানত না কী ভয়ানক পরিণতি অপেক্ষা করছে তার জন্য। যে দাদাকে রাখি বেঁধে নিরাপত্তা চেয়েছিল, তাঁর হাতেই ধর্ষণের শিকার হতে হল ১৪ বছরের নাবালিকাকে (UP man kills sister hours after Rakhi)। ধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে খুন করার অভিযোগও উঠেছে যুবকের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের এই নৃশংস ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার রাখি পূর্ণিমার দিন কাকার বাড়ি যায় অভিযুক্ত সুরজিৎ। বোনের কাছ থেকে রাখিও বাঁধেন। এরপর নিজের কাজে বেরিয়ে যান। অভিযোগ, রাতে মদ্যপ অবস্থায় আবার ওই বাড়ি আসেন যুবক। এরপর সুযোগ পেয়ে বোনের ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থাতেই তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর শ্বাসরোধ করে কিশোরীকে খুন করেন। গোটা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দেখাতে মৃতার গলায় ফাঁস দিয়ে পাখার সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন।
পাশের ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন কিশোরীর বাবা। তিনি কিছুই টের পাননি। পরেরদিন সকালে মেয়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন ব্যক্তি।
পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি সুরজিৎকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। বয়ানে অসংগতি ধরা দিলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর জেরায় চাপের মুখে অপরাধ স্বীকার করেন যুবক।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা মৃতদেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন দেখতে পায়। বিছানায়, মাটিতে রক্তের দাগ পাওয়া যায়। যা থেকে বোঝা গেছিল যে এটি আত্মহত্যার ঘটনা নয়। এরপরই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
পুলিশ আরও জানায়, মৃতার পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরও সুরজিৎ দিচ্ছিল। সেই থেকেই তাঁর ওপর সন্দেহ হয়।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টে ধর্ষণের তত্ত্ব স্পষ্ট হবে। তারপরই তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।