মৃতের পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের দাবি, রবিবার সারাদিন তাঁরা গণেশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোনওভাবেই তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

মহারাষ্ট্রে খুন যুবক!
শেষ আপডেট: 15 December 2025 12:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাড়ির ভিতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হল এক যুবকের অগ্নিদগ্ধ দেহ। গাড়িটিও সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় (Man Burnt Alive Inside His Car)। মৃতদেহটি যেভাবে পাওয়া গেছে, তাতে এটিকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলেই মনে করছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম গণেশ চাভান। তিনি লাতুর জেলার আউসা টাণ্ডা এলাকার বাসিন্দা। বেসরকারি ব্যাঙ্কের রিকভারি এজেন্ট (Recovery agent) হিসেবে কাজ করতেন (Body Was Found Stuffed In Sack)। কাজের সূত্রে নিয়মিত বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতেন গণেশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দুষ্কৃতীরা পরিকল্পিতভাবেই এই হত্যাকাণ্ড (Murder case) ঘটিয়েছে। তাদের ধারণা, প্রথমে গণেশকে জীবন্ত অবস্থায় একটি বস্তার মধ্যে ঢুকিয়ে তাঁর নিজের গাড়ির ভিতরেই রাখা হয়, এরপর গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে গাড়িটি পুরোপুরি পুড়ে যায় এবং ভিতরেই ঝলসে মৃত্যু হয় ওই যুবকের (Man Burnt Alive Inside His Car)।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দমকল কর্মীদের সাহায্যে আগুন নেভানোর পর গাড়ির ভিতর থেকে সম্পূর্ণ দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
মৃতের পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের দাবি, রবিবার সারাদিন তাঁরা গণেশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোনওভাবেই তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে তাঁরা এই ভয়াবহ ঘটনার কথা জানতে পারেন। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “রাত প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ জরুরি নম্বর ১১২-এ একটি ফোন আসে। এক ব্যক্তি জানান, বানাওয়াড়া রোডে একটি গাড়ি জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম সেখানে পৌঁছয় এবং দমকলের সাহায্যে আগুন নেভানো হয়। এরপর গাড়ির ভিতর থেকে একটি দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এখন আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছি।”
এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে কী কারণ, ব্যক্তিগত শত্রুতা না কি পেশাগত কোনও বিবাদ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, ফোনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছে (Murder Case investigation)। অভিযুক্তদের শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে বলে মৃতের পরিবারকে আশ্বস্ত করেছে পুলিশ।