
বাবা রামদেব
শেষ আপডেট: 12 May 2024 21:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পতঞ্জলির ‘বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা’ বিজ্ঞাপন মামলা এখনও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। কোনওরকম স্বস্তি পাননি রামদেব এবং তাঁর সহযোগী বালকৃষ্ণ। এরই মধ্যে আরও চাপে পড়লেন তাঁরা। কারণ হরিদ্বারের আদালত তাঁদের জোড়া সমন পাঠিয়েছে।
লিভার, ত্বক সহ জ্বর-টাইফয়েডের চিকিৎসার কিছু ওষুধকে 'বিষাক্ত' বলে দাবি করেছিলেন রামদেব। সেই দাবির বিরুদ্ধে মামলা হয়। হরিদ্বারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) সেই মামলার প্রেক্ষিতেই রামদেব এবং বালকৃষ্ণকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১০ তারিখ সেই হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও কেউই আদালতে আসেননি। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন সমন পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিনই তাঁদের দুজনকে হাজিরা দিতে হবে।
পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে তাতে রামদেব এবং বালকৃষ্ণকে বারবার ভর্ৎসনার শিকার হতে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমা চেয়েও রেহাই পাননি তাঁরা। একই সঙ্গে ড্রাগস অ্যান্ড ম্যাজিক রেমেডিজ অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে বাবা রামদেবের বিরুদ্ধে। উত্তরাখণ্ড ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ পতঞ্জলির দিব্য ফার্মেসি কোম্পানির ১৪টি পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।
পতঞ্জলির যে পণ্যগুলোর লাইসেন্স বাতিল হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, শ্বাসারি গোল্ড, শ্বাসারী ভাটি, দিব্য ব্রঙ্কম, শ্বাসারি প্রবাহী, শ্বাসারি আভালেহ, মুক্ত ভাটি এক্সট্রা পাওয়ার, লিপিডম, বিপি গ্রিট, মধুগ্রিত, মধুনাশিনী ভাটি এক্সট্রা পাওয়ার, লিভামৃত অ্যাডভান্স, লিভোগ্রিট গোল্ড, এবং পতঞ্জলি দৃষ্টি আইড্রপ।