Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের

বুধবার মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট, জুড়ে আছে এনডিএ-ইন্ডিয়া, মোদী-রাহুলের ভবিষ্যৎও

মহারাষ্ট্রে গত পাঁচ বছর রাজ্য-রাজনীতি ছিল নাটকীয়তায় ভরা।

বুধবার মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট, জুড়ে আছে এনডিএ-ইন্ডিয়া, মোদী-রাহুলের ভবিষ্যৎও

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 20 November 2024 08:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে বুধবার বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। ঝাড়খণ্ডের ৮১টি আসনের ৪৩টি’তে ভোট হয়ে গিয়েছে। বুধবার বাকি ৩৮টিতে ভোট নেওয়া হবে। মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনে বুধবার এক দফাতেই ভোট নেওয়া হচ্ছে। 

দুই রাজ্যেই লড়াই মূলত এনডিএ এবং ইন্ডিয়া’র মধ্যে সীমাবন্ধ। মহারাষ্ট্রে গত পাঁচ বছর রাজ্য-রাজনীতি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। তিনজন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন পাঁচ বছরে। তারমধ্যে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ মাত্র তিনদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন। পরে রাজ্যের কর্ণধার হন শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে এবং একনাথ শিন্ডে। 

অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডে পাঁচ বছর সরকার চালাচ্ছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সরেন। তাঁর জোট সঙ্গী কংগ্রেস ও আরজেডি। বিজেপির রঘুবর দাসের বিগত সরকারের পর হেমন্তও পুরো পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। আদিবাসী বহুল রাজ্যটিতে এবার বিধানসভা ভোট নয়া মাত্রা পেয়েছে বিজেপির অনুপ্রবেশ ইস্যুকে ঘিরে। পদ্ম শিবিরের প্রধান ইস্যু ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীদের জমি-বাড়ি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা দখল করে নিয়েছে। বিজেপি ঝাড়খণ্ডে এই ইস্যুতে ভাল ফল করলে তাদের পরের টার্গেট বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ। দুই রাজ্যে বিধানসভার ভোট আছে যথাক্রমে ২০২৫ ও ২০২৬-এ। 

মহারাষ্ট্রে বিজেপি সবচেয়ে বেশি, ১৪৯টি আসনে লড়াই করছে। কবে ওই রাজ্যের ভোটে এবার দুই শিবসেনার ভাগ্য পরীক্ষা। দলের প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের উত্তসুরি হিসাবে শিব সৈনিকেরা উদ্ধব ঠাকরে নাকি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, কাকে বেছে নেন সেটাই দেখার। শিবসেনা ভেঙে যাওয়ার পর এই প্রথম মহারাষ্ট্রে বিধানসভার ভোট হচ্ছে। 

অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রে এনসিপি-র দখলদারিও নিশ্চিত হবে এবারের বিধানসভা ভোটে। শরদ পাওয়ার নাকি তাঁর ভাইপো অজিত, কাকে দলের কাণ্ডারি মনে করে দলের সমর্থকেরা, ঠিক হবে বুধবারের ভোটে। 

তবে এই দুই রাজ্যের ভোটের সঙ্গে জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎও জু়ড়ে আছে। হরিয়ানায় ক্ষমতা ধরে রেখে বিজেপি লোকসভা ভোটের ক্ষত কিছুটা হলেও সারাতে পেরেছে। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে সফল হলে জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র ভবিষ্যৎ আরও সুরক্ষিত হবে সন্দেহ নেই। নরেন্দ্র মোদী ফের নিজেকে ভোট ক্যাচার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। যদিও মহারাষ্ট্রের তুলনায় মোদী বেশি সময় দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডে। মহারাষ্ট্রে বিজেপি হিন্দু সংহতির বার্তা দিতে একদিকে প্রচার করেছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ইতিবাচক ‘এক রহে তো সেফ রহে’ এবং যোগী আদিত্যনাথের ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’, যা নেতিবাচক বলে আপত্তি করে দলের একাংশ এবং এনডিএ-র শরিক দলগুলি। 

অন্যদিকে, এই দুই রাজ্যে কংগ্রেসের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে কংগ্রেসকে সামনে রেখে তৈরি ‘ইন্ডিয়া’র ভবিষ্যৎ। হরিয়ানায় কংগ্রেস যেভাবে হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলেছে তাতে ইন্ডি জোটের শরিকেরা অসন্তুষ্ট। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেসের ফল ভাল না হলে ইন্ডিয়া জোট দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি হাত শিবিরের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। চাপে পড়ে যাবেন রাহুল গান্ধী। 

মহারাষ্ট্রে দ্বিতীয় সর্বাধিক ১০১টি আসনে লড়াই করছে হাত শিবির। একনাথ শিন্ডের শিবসেনা প্রার্থী দিয়েছে ৮১টিতে। ৫৯ আসনে লড়াই করছে অজিত পাওয়ারের এনসিপি। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ৯৫ এবং শরদ পাওয়ারের এনসিপি ৮৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ২৩৮টি আসনে প্রার্থী দিয়ে মায়াবতীয় বহুজন সমাজ পার্টি বহু আসনে বাকি প্রার্থীদের চিন্তায় রেখেছে।

দুই রাজ্যেই শাসক ও বিরোধী শিবির দলীয় বা জোটের রাজনৈতিক ইস্যু ছাপিয়ে প্রচারে পাধান্য দিয়েছে আর্থিক সুবিধার প্রতিশ্রুতিকে। দু’পক্ষই নিশানা করেছে মহিলা ভোটারদের। মহিলাদের মাসে মাসে নগদ অর্থ দেওয়া, রান্নায় গ্যাসে আকর্ষণীয় ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আছে সরকারি বাসে বিনা ভাড়ায় যাতাযাতের সুবিধা। এছাড়া ঢালাও চাকরির প্রতিশ্রুতি তো আছেই।


```