২২ শ্রাবণ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করে অমিত মালব্য দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাকি কবিগুরু এবং তাঁর বাংলা ভাষাকে অপমান করেছেন!

অমিত মালব্য
শেষ আপডেট: 8 August 2025 19:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা ভাষা (Bengali Language) ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দিল্লি পুলিশের নিন্দা করে সরব হয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল, বাংলা ভাষা বলার কারণে বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে। সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya) দাবি করেছিলেন, দিল্লি পুলিশ ঠিকই কাজ করছে। এরপরই তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেছিলেন - বাংলা কোনও ভাষা নয়। শুক্রবার কার্যত নিজের মন্তব্য থেকেই সরে গেলেন কেন্দ্রীয় নেতা। নিশানা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
২২ শ্রাবণ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে (Rabindranath Tagore) স্মরণ করে অমিত মালব্য দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাকি কবিগুরু এবং তাঁর বাংলা ভাষাকে অপমান করেছেন!
মালব্যর পোস্ট - রবীন্দ্রনাথের বাংলা ভাষার বদলে উর্দুকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সংস্কৃতি রক্ষার নাম করে বাংলা ভাষাকে বদনাম করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে মালব্য এও দাবি করেন, রবীন্দ্রনাথের নারী চরিত্ররা যেখানে ভয়হীন ছিলেন, সেখানে আজ বাংলায় নারীরা আতঙ্কে থাকেন।
Today, on Baishey Shrabon, the Bengal that once taught Tagore to see the eternal in the everyday now stares into the abyss of cultural decay.
Mamata Banerjee has shamelessly mocked Tagore’s vision:
•Replacing his sacred language, Bangla, with Urdu—even leading to the death of… pic.twitter.com/3zhVDgUxzC— Amit Malviya (@amitmalviya) August 8, 2025
সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) সরকারি চিঠিতে বাংলা ভাষাকে 'বাংলাদেশি ভাষা' (Bangladeshi Language) বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস দলের (TMC) তরফেও ধিক্কার জানান হয় দিল্লি পুলিশকে। তারপরই মালব্য দাবি করেন, “বাঙালি একটি জাতি হতে পারে, কিন্তু বাংলা কোনও ভাষা নয়। বাংলাদেশি ভাষা বলতে আসলে সেই অনুপ্রবেশকারীদের ভাষাকে বোঝানো হয়েছে, এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই।”
কিন্তু ২২ শ্রাবণকে মাথায় রেখে অমিত মালব্যর বাংলা ভাষার পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিয়েও এখন চর্চা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যখন বিজেপি বাংলা দখল করার পরিকল্পনা করছে, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতার মন্তব্য দলীয় নেতারাই ভাল চোখে দেখেনি। তাই হয়তো এই ভোলবদল।