ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে কাঁটাতার, জলের তলায় একের পর এক বিএসএফ পোস্ট। এমনকি খালি হয়ে গিয়েছে দুই দেশের একাধিক চেকপোস্টও। ফলে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বেড়েছে বহুগুণ।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 5 September 2025 22:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রকৃতির তাণ্ডবে যেন মুছে গেল মানুষের আঁকা সীমানা। ভয়াবহ বন্যায় (Punjab Floods) বিপর্যস্ত জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাব। ইরাবতী নদীর তীব্র স্রোতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার সীমান্ত বাঁধ ধ্বংস (30 km of Indo-Pak border fence)।
ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে কাঁটাতার, জলের তলায় একের পর এক বিএসএফ পোস্ট। এমনকি খালি হয়ে গিয়েছে দুই দেশের একাধিক চেকপোস্টও। ফলে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বেড়েছে বহুগুণ।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সীমান্ত খালি থাকার সুযোগ নিয়ে মাদক পাচারকারীরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। তবে বিএসএফের সতর্কতায় তা ব্যর্থ হয়। বিএসএফের পাঞ্জাব ফ্রন্টের ডিআইজি একে বিদার্থী জানান, “শুধু গুরুদাসপুরেই প্রায় ৩০–৪০টি চেকপোস্ট ডুবে গিয়েছে।” তবে সময় থাকতে সেনা সরিয়ে নেওয়ায় বড় বিপদ এড়ানো গেছে।
গুরুদাসপুর, অমৃতসর, পাঠানকোট—বন্যায় বিধ্বস্ত একাধিক জেলা। রবি নদীর ২৮টিরও বেশি বাঁধ ভেঙেছে। অমৃতসরে ১২টি, পাঠানকোটে ভেঙেছে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ। ডেরা বাবা নানক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৫০০ মিটার কাঁটাতার উপড়ে গেছে। কর্তারপুর সাহিব করিডোরের বিএসএফ পোস্টও জলের নীচে। জওয়ানরা আশ্রয় নিয়েছেন ডেরা বাবা নানক গুরুদ্বারে। সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের দিকেও একই চিত্র। ইরাবতীর জলে তছনছ হয়েছে পাক রেঞ্জার্সদের একাধিক পোস্ট।
স্থানীয় বহু মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন বিএসএফ ক্যাম্পে। অন্যদিকে, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে দিন-রাত সক্রিয় জওয়ানরা।
কারগিলের অভিজ্ঞতার পর আশঙ্কা আরও প্রকট—চেকপোস্ট খালি থাকায় কি ফের অনুপ্রবেশের সুযোগ নেবে জঙ্গি বা পাচারকারীরা? বিএসএফ সূত্রের দাবি, নজরদারি কিন্তু বন্ধ হয়নি। জায়গায় জায়গায় প্রযুক্তির সাহায্যে চলছে কড়া নজর। তবু বন্যার জেরে সীমান্তের ভঙ্গুর অবস্থা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কেন্দ্র থেকে রাজ্য পর্যন্ত।