Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

বিবাহবিচ্ছেদ হলেই খোরপোশ মিলবে, এমনটা নয়! ঠিক কী পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

আবেদনকারী মহিলা ভারতীয় রেলওয়ের ট্রাফিক সার্ভিসের গ্রুপ ‘এ’-এর অফিসার। তাঁর স্বামী পেশায় আইনজীবী। ২০১০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়, কিন্তু মাত্র এক বছরের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে যায়। 

বিবাহবিচ্ছেদ হলেই খোরপোশ মিলবে, এমনটা নয়! ঠিক কী পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

প্রতীকী ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 18 October 2025 20:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর্থিকভাবে স্বনির্ভর ব্যক্তি ভরণপোষণের (Alimony)দাবিদার নন -  এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। আদালতের মতে, ‘স্থায়ী আলিমনি (Alimony) সমাজকল্যাণের প্রতীক, কোনও পক্ষের আর্থিক সমতা বা ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম নয়।’

বিচারপতি অনিল ক্ষেতরপাল এবং হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্কর সমন্বিত বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছেন, আলিমনি বা ভরণপোষণ চাইলে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, তাঁর সত্যিই অর্থনৈতিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।

আবেদনকারী মহিলা ভারতীয় রেলওয়ের ট্রাফিক সার্ভিসের (Railway Traffic Service) গ্রুপ ‘এ’-এর অফিসার। তাঁর স্বামী পেশায় আইনজীবী। ২০১০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়, কিন্তু মাত্র এক বছরের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে যায়। এর পর স্বামীর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে নিম্ন আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন মহিলা। বিচ্ছেদের পাশাপাশি তিনি দাবি করেন মোটা অঙ্কের খোরপোশও।

২০২৩ সালের অগস্টে নিম্ন আদালত বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর করলেও খোরপোশের আবেদন খারিজ করে দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মহিলা দিল্লি হাইকোর্টে আপিল করেন।

বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্করের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আপিল খারিজ করে জানায়, “বিবাহবিচ্ছেদের পরে খোরপোশের উদ্দেশ্য হল আর্থিকভাবে নির্ভরশীল সঙ্গীকে সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোরপোশ পাওয়ার অধিকার তৈরি হয় না। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা ও প্রকৃত প্রয়োজনের উপর।”

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ওই মহিলা একজন সরকারি আধিকারিক এবং তাঁর নিয়মিত ও পর্যাপ্ত আয় রয়েছে। তাঁর উপর কেউ আর্থিকভাবে নির্ভরশীল নন। তাই খোরপোশ দাবি করার কোনও যৌক্তিকতা নেই।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, “শুধুমাত্র আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কেউ খোরপোশ চাইতে পারেন না। আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, তাঁর সত্যিই আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।”

হাইকোর্ট আরও স্পষ্ট করেছে, মামলার নথিতে এমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি যা থেকে বোঝা যায় আবেদনকারীর আর্থিক দুরবস্থা, শারীরিক অসুস্থতা বা পারিবারিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে খোরপোশের আবেদন খারিজ করা ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।

এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে - বিবাহবিচ্ছেদ মানেই খোরপোশ নয়। ভরণপোষণ কোনও আর্থিক পুরস্কার নয়, বরং সমাজকল্যাণের একটি উপায়, যা শুধুমাত্র প্রয়োজনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।


```