বিশেষজ্ঞদের মতে, পেছনের ব্ল্যাক বক্স পুরোপুরি বিমানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে সামনের বক্সটি নিজস্ব ব্যাটারিতে চলে তাই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও যাবতীয় তথ্য রেকর্ড করা থাকে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 20 July 2025 14:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে উঠে এল নতুন তথ্য (Ahmedabad Plane Crash)। বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের (Boeing 787 Dreamliner) লেজের অংশে আগুন লাগার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই আগুন বিমানের টেক অফের সময় লেগেছিল নাকি সেটি ভেঙে পড়ার পর, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)।
জানা যায়, দুর্ঘটনার পরে বিমানটির পিছনের অংশটিই ভাল অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল। এয়ার ইন্ডিয়ার এআই ১৭১ বিমানের সামনে ও মাঝের অংশ আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও লেজের অংশটি আলাদা হয়ে যাওয়ায় কিছুটা অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ব্ল্যাক বক্স, অক্সিলিয়ারি পাওয়ার ইউনিট (APU) এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সেন্সরের যন্ত্রাংশ।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে দুটি ব্ল্যাক বক্স ছিল। দুর্ঘটনার পরের দিনই অর্থাৎ ১৩ জুন হস্টেলের ছাদ থেকে পিছনের ব্ল্যাক বক্সটি উদ্ধার করা হয়। সেটি আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সেখান থেকে তথ্য উদ্ধার সম্ভব হয়নি। তবে সামনের ব্ল্যাক বক্সটি (Forward EAFR) ১৬ জুন পাওয়া যায়। সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া ৪৯ ঘণ্টার ফ্লাইট ডেটা ও ২ ঘণ্টার ককপিট অডিও বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পিছনের ব্ল্যাক বক্সটি পুরোপুরি বিমানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে সামনের বক্সটি নিজস্ব ব্যাটারিতে চলে তাই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও যাবতীয় তথ্য রেকর্ড করা থাকে।
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা কেবল একজন যাত্রী বেঁচেছিলেন। তাঁর নাম বিশ্বাসকুমার রমেশ। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, টেকঅফের পরপরই কেবিনের আলো বারবার জ্বলছিল, নিভছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, বিমানে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত গোলযোগ হওয়ায় সেন্সরগুলি ভুল সংকেত পাঠায়, এবং তাতেই এফএডিইসি সিস্টেমে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।