আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পর নজরে বিশ্বের ১০টি মর্মান্তিক বিমান বিপর্যয়, যেখানে প্রাণ হারিয়েছেন শত শত যাত্রী। তদন্তে DGCA।

১০ দুর্ঘটনার স্মৃতি
শেষ আপডেট: 12 June 2025 18:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১২ জুন, ২০২৫ — আহমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার মডেলের এই বিমানটি আমদাবাদ থেকে লন্ডন যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় বলে রাজ্য পুলিশ কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গিয়েছে। বিমানটিতে ছিলেন মোট ২৪২ জন যাত্রী। দুর্ঘটনার কারণ জানতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)-এর তদন্তকারী দল।
আধুনিক প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অগ্রগতির পরও বিশ্বজুড়ে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা প্রমাণ করে, আকাশপথ আজও এক ঝুঁকিপূর্ণ মাধ্যম। বহু সময়েই দুর্ঘটনার কারণ থাকে ভুল সিদ্ধান্ত, প্রযুক্তিগত গাফিলতি বা ভুল যোগাযোগ।
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাগুলির তালিকায়:
টেনেরিফ বিমানবন্দর বিপর্যয় (১৯৭৭): ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। দু’টি বোয়িং ৭৪৭ বিমানের রানওয়েতে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ৫৮৩ জনের। একাধিক ভুল বোঝাবুঝি এবং যোগাযোগ বিভ্রান্তির ফল।
জাপান এয়ারলাইনস ফ্লাইট ১২৩ (১৯৮৫): একক বিমানের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। পেছনের প্রেসার বাল্কহেড ভেঙে পড়ায় ৫২০ জনের মৃত্যু হয়।
চারখি দাদরি সংঘর্ষ (১৯৯৬): ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক। কাজাখস্তান এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্সের দুটি বিমানের মাঝআকাশে সংঘর্ষে ৩৪৯ জন প্রাণ হারান।
এয়ার ফ্রান্স ফ্লাইট ৪৪৭ (২০০৯): আটলান্টিকে বিধ্বস্ত হয় এই এয়ারবাস A330, প্রাণ হারান ২২৮ জন। ভুল এয়ারস্পিড রিডিং ও পাইলটের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল কারণ।
মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ১৭ (২০১৪): ইউক্রেনের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ভেঙে পড়ে। প্রাণ যায় ২৯৮ জনের।
এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ (১৯৮৫): আয়ারল্যান্ডের উপকূলে ভেঙে পড়ে বোয়িং ৭৪৭। জঙ্গি হামলায় প্রাণ যায় ৩২৯ জনের।
তুর্কি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৯৮১ (১৯৭৪): প্যারিসের কাছে ভেঙে পড়ে। কার্গো ডোর ফাটল ও ডিকমপ্রেশনই কারণ, মৃত্যু ৩৪৬ জনের।
আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৫৮৭ (২০০১): নিউ ইয়র্কের কুইন্সে আকাশে টার্বুলেন্সের মধ্যে রাডারে অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভেঙে পড়ে। মৃত্যু ২৬৫ জনের (বিমান ও ভূমি মিলিয়ে)।