পুলিশ জানায়, মনোহরের মেয়ে শিবানী একাধিকবার মায়ের সঙ্গে সুরেন্দ্রকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছেন। পরিবারের আপত্তির মুখে দ্রৌপদী পাল্টা হুমকি দেন, তিনি পণের মামলা করবেন।

ছবি সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 4 August 2025 14:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) একই পরিবারের চারজনের আত্মহত্যার (Suicide) ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছে গৃহবধূ দ্রৌপদী লোধী ও তার প্রেমিক সুরেন্দ্রকে। ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫-২৬ জুলাই রাতে, যখন একসঙ্গে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন ৪৫ বছরের মনোহর লোধী, তাঁর ৭০ বছরের মা, ১৮ বছরের মেয়ে ও এক নাবালক।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, মনোহরের স্ত্রী দ্রৌপদীর সঙ্গে তাঁরই শৈশবের বন্ধু সুরেন্দ্রর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতেন এবং তাঁদের সম্পর্ক ছিন্ন করতে বললেও, উভয়েই জানিয়ে দেন— তাঁরা একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারবেন না।
পুলিশ জানায়, মনোহরের মেয়ে শিবানী একাধিকবার মায়ের সঙ্গে সুরেন্দ্রকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছেন। পরিবারের আপত্তির মুখে দ্রৌপদী পাল্টা হুমকি দেন, তিনি পণের মামলা করবেন।
মানসিক ও সামাজিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মনোহর, তাঁর মা, কন্যা ও পুত্র বিষাক্ত সালফাস ট্যাবলেট খান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বৃদ্ধা ও পুত্রের। মনোহর ও শিবানীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান দু'জনেই।
খুরাই সিভিল হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান, “বাবা-মেয়ে দু’জনেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিলেন। স্থানান্তর করার সময়েই মেয়ে মারা যান। অ্যাম্বুলেন্সে যাওয়ার সময় প্রাণ হারান মনোহর।”
ঘটনার তদন্তে নেমে দ্রৌপদী ও তাঁর প্রেমিক সুরেন্দ্রকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। টাউন ইন্সপেক্টর যোগেন্দ্র সিং বলেন, “এই আত্মহত্যার পিছনে দ্রৌপদীর অবৈধ সম্পর্কই মূল কারণ। আমরা যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছি।”