পুলিশ আদালতের কাছে অভিযুক্তদের ১৪ দিনের হেফাজতে চাইতে পারে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে খুনের পুনর্নির্মাণ করবে পুলিশ।
শেষ আপডেট: 11 June 2025 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধুচন্দ্রিমায় স্বামীকে খুনের অন্যতম অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী, তাঁর প্রণয়ী রাজ কুশওয়া সহ চারজনকে বুধবার আদালতে পেশ করতে চলেছে মেঘালয় পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ আদালতের কাছে অভিযুক্তদের ১৪ দিনের হেফাজতে চাইতে পারে। এই সময়ের মধ্যে পুলিশ অভিযুক্তদের আলাদা করে এবং মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারে। কারণ পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই রাজ কুশওয়া খুনের ঘটনা স্বীকার করে বয়ান দিয়েছে। সেই মতো ঘটনাস্থলে গিয়ে খুনের পুনর্নির্মাণ করবে পুলিশ।
অভিযুক্ত রাজ কুশওয়া অপরাধের কথা কবুল করে পুলিশকে জানিয়েছে, সোনম খুনের সময় সেখানেই ছিল এবং স্বামীকে খুন হতে সে নিজের চোখেই দেখেছে। শুধু তাই নয়, খুনিরা শেষপর্যন্ত এই মারাত্মক কাজ করতে রাজি না হওয়ায় তাদের নগদ টাকা দেওয়ার কথা দেয়। খুনের পর হাতে নগদ টাকাও গুঁজে দেয় সোনমই। এবং তাও মৃত স্বামীর টাকার ব্যাগ থেকে বের করে দেয়।
ইন্দোর পুলিশের অপরাধ দমন শাখা জানিয়েছে, চার ধৃত অভিযুক্তই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। এসিপি পুনমচাঁদ যাদব জানান, জেরায় তারা রোমহর্ষক খুনের বিবরণ তুলে দিয়েছে। ইন্দোরের ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশীর স্ত্রী সোনম খুনের সময় সেখানেই উপস্থিত ছিলেন। তিনি বাধা দেননি। এমনকী পুলিশ এও জানতে পেরেছে যে, ভাড়াটে যুবকরা খুন করতে অস্বীকার করলে প্ল্যান বি ভেবে রেখেছিলেন নববিবাহিত পত্নী।
রাজ কুশওয়া পুলিশকে জানিয়েছেন, সোনম ওখানেই ছিলেন এবং সবকিছু দেখেছিলেন। যাদব জানিয়েছেন, খুনের পর তারা দেহটি গভীর খাদে ফেলে দেয়। বিশাল ঠাকুর বা ভিকি প্রথম আঘাতটি করেছিল বলে পুলিশ কর্তার দাবি। তিনি আরও বলেন, সকলেই খুনের কথা জেরায় বয়ান দিয়ে স্বীকার করে নিয়েছে।
পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যে, সোনম এইভাবে খুনের চেষ্টা ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় বিকল্পের কথাও ভেবে রেখেছিলেন। আর সেটা হল, ওরকম শুনশান পাহাড়ি সৌন্দর্যের জায়গায় সেল্ফি তোলার নাম করে স্বামীকে খাদের কিনারে দাঁড় করিয়ে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেলে দেওয়া। কিন্তু, বরাতজোরে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে, টাকা খাটিয়ে চোখের সামনে খুন করাই দেখতে চেয়েছিলেন।