Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়ের

তামিলনাড়ুর জেলে পুলিশের মারে বাবা-ছেলে খুন! ৬ বছর পর মিলল বিচার, আদালতও বলল, 'ক্ষমতার বিরল অপব্যবহার'

ঘটনার দিন অর্থাৎ ১৯ জুন জে বেন্নিক্স জানতে পারেন যে তাঁর বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তিনি থানায় গিয়ে বাবার উপর নির্যাতন কেন হচ্ছে তা জানতে চান। এরপর তাঁকেও জেলে ভরে দেওয়া হয়। শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন, চলে ধাক্কাধাক্কি, লাঠিপেটা।

তামিলনাড়ুর জেলে পুলিশের মারে বাবা-ছেলে খুন! ৬ বছর পর মিলল বিচার, আদালতও বলল, 'ক্ষমতার বিরল অপব্যবহার'

তামিলনাড়ুর ৯ পুলিশ কর্মীকে ফাঁসির সাজা

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 7 April 2026 08:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২০ সালের জুন মাসে তামিলনাড়ুর জেলে (Tamilnadu Jail Custody) ঘটে যায় এক নৃশংস ঘটনা। পুলিশের চরম নির্যাতনে জেলেই মৃত্যু হয় ব্যবসায়ী পি জয়রাজ (৫৯) এবং তাঁর ছেলে জে বেন্নিক্সের (৩১) (Father Son killed in custody)। সেই ঘটনায় ছ’বছরের দীর্ঘ শুনানির পর মাদুরাই আদালত (Madurai Court) সোমবার অভিযুক্ত ন’জন পুলিশকর্মীর ফাঁসির সাজা (death sentence) ঘোষণা করেছে। আদালত রায়কে চরম নির্মমতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের 'সর্বাধিক বিরল' (rarest of rare case) উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত পুলিশকর্মীর (Tamilnadu Cops) মধ্যে আছেন ইনস্পেক্টর এস শ্রীধর, সাব-ইনস্পেক্টর পি রঘু গণেশ ও কে বালাকৃষ্ণন, হেড কনস্টেবল এস মুরুগান ও এ সামাদুরাই, কনস্টেবল এম মুধুরাজ, এস চেল্লাদুরাই, এক্স থমাস ফ্রান্সিস এবং এস ভেইলুমুতো। মামলার দশম অভিযুক্ত বিশেষ সাব-ইনস্পেক্টর পলদুরাই কোভিডে মারা যাওয়ায় সাজা ঘোষণা করা হয়নি।

ঘটনার দিন অর্থাৎ ১৯ জুন জে বেন্নিক্স জানতে পারেন যে তাঁর বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তিনি থানায় গিয়ে বাবার উপর নির্যাতন কেন হচ্ছে তা জানতে চান। এরপর তাঁকেও জেলে ভরে দেওয়া হয়। শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন, চলে ধাক্কাধাক্কি, লাঠিপেটা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাতে থানায় প্রৌঢ়কে দেখতে পাননি কেউই। পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় দু'জনকেই দীর্ঘ সময় লাঠি ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়েও মারধর করা হয় বলে জানা গেছিল।

পরিবারের অভিযোগ, জে বেন্নিক্স যৌন নির্যাতনের শিকারও হয়েছিলেন। পুলিশি হেফাজতের এই নির্মম নির্যাতন ও মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়রা দোকান বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, অনেকেই জর্জ ফ্লয়েড হত্যার সঙ্গে তুলনা করেন।

মামলাটির তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। তদন্তে উঠে আসে যে নির্যাতন পূর্বপরিকল্পিত এবং তা চলেছিল রাতভর। আদালত এই ঘটনাটিকে 'রেয়ারস্ট অব রেয়ার' হিসেবে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়।

এই রায়ের মাধ্যমে দেশে পুলিশি হেফাজতে ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা পাঠানো হলো। সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোও আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে।


```