Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

৭৫ বছরের বৃদ্ধ বিয়ে করলেন ৩৫ বছরের তরুণীকে! হানিমুনের আগেই মৃত্যু, দাহ করতে দিল না পরিবার

জৌনপুরে ৭৫ বছরের সঙ্গরুরাম বিয়ে করলেন ৩৫ বছরের মানভাবতীকে। পরদিনই মৃত্যু, গ্রামে জল্পনা শুরু, আত্মীয়রা দাহক্রিয়া আটকালেন।

৭৫ বছরের বৃদ্ধ বিয়ে করলেন ৩৫ বছরের তরুণীকে! হানিমুনের আগেই মৃত্যু, দাহ করতে দিল না পরিবার

৩৫-এর তরুণীকে বিয়ের পরেই রহস্যমৃত্যু ৭৫-এর বৃদ্ধের।

অরণ্যা দত্ত

শেষ আপডেট: 1 October 2025 11:24

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর জেলার কুচমুচ গ্রামে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সঙ্গরুরাম নামের ৭৫ বছরের এক বৃদ্ধ বিয়ের পরদিনই মারা গেলেন।

সঙ্গরুরামের প্রথম স্ত্রী মারা যান এক বছর আগে। সন্তান না থাকায় তিনি একাই বসবাস করছিলেন এবং চাষাবাদের মাধ্যমে জীবন কাটাতেন। দীর্ঘ একাকিত্ব কাটাতে তিনি নতুন করে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের অনেকেই তাঁকে বিয়ে না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সব আপত্তি উপেক্ষা করে তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার ৩৫ বছরের মানভাবতী নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন। তরুণী জালালপুর এলাকার বাসিন্দা।

প্রথমে আদালতে গিয়ে রেজিস্ট্রি করে তাঁরা। এরপর স্থানীয় এক মন্দিরে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

মানভাবতী বিয়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর স্বামী তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে সংসারের দায়িত্ব তিনি সামলাবেন, আর সঙ্গরুরাম নাকি বলেছিলেন, “আমি বাচ্চাদের দায়িত্ব নেব।” মানভাবতীর দাবি, বিয়ের রাতটা দু’জনে গল্প করেই কাটিয়েছিলেন। এর পরে হানিমুনে যাওয়ারও কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু পরের দিন সকালে হঠাৎই সঙ্গরুরামের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

হঠাৎ এই মৃত্যুতে গ্রামে নানান আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, বয়সজনিত কারণে এ মৃত্যু স্বাভাবিক। আবার অনেকেই এটিকে সন্দেহজনক মনে করছেন।

এদিকে সঙ্গরুরামের আত্মীয়রা, বিশেষত দিল্লিতে বসবাসকারী ভাইপোরা, এখনও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে দেননি। তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা না আসা পর্যন্ত দাহক্রিয়া করা যাবে না। পাশাপাশি, গ্রামবাসীর একাংশও ময়নাতদন্তের দাবি করেছেন।


```