বেশ কয়েক মাস ধরে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় লুকিয়ে ছিল দুজন। শুক্রবার রাতেই ভারতে ফিরেছিল তারা।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 17 May 2025 11:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'অপারেশন সিঁদুর' (Operation Sindoor) অভিযান সফল হওয়ার পর দেশের মধ্যেও নিরাপত্তায় আরও তৎপরতা বাড়িয়েছে গোয়েন্দারা। জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) ইতিমধ্যে তাঁদের তথ্যের ওপর ভর করে ৬ জঙ্গি নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। অন্যান্য একাধিক রাজ্যেও বিভিন্ন অভিযান চলছে প্রতিনিয়ত। তাতেও মিলল সাফল্য। শনিবার মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ২ জনকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ (NIA)। তারা আইএস-এর স্লিপার সেলের (ISIS Sleeper Cell) সদস্য বলে সন্দেহ।
মুম্বইয়ে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওই দুজনকে পাকড়াও করেছে এনআইএ। ধৃতদের নাম আবদুল্লা ফাইয়াজ শেখ ওরফে ডাইপারওয়ালা এবং তালহা খান। সূত্রের খবর, বেশ কয়েক মাস ধরে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় লুকিয়ে ছিল দুজন। শুক্রবার রাতেই ভারতে ফিরেছিল তারা। গোপনে খবর পেয়ে আগে থেকেই বিমানবন্দরের টার্মিনাল ২-তে ওঁত পেতে ছিলেন গোয়েন্দারা। সেখান থেকেই তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এনআইএ জানিয়েছে, ২০২৩ সালে পুনেতে আইইডি বিস্ফোরক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে যুক্ত ছিল এই দুজন। মূলত আইএস তাদের এই কাজে পাঠিয়েছিল এবং সেই সময় থেকেই স্লিপার সেল হিসেবে ভারতে কাজ করা শুরু করেছিল তারা। গোটা দেশের নানা জায়গায় বিস্ফোরণের ছক ছিল তাদের। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার পরই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছিল ধৃতরা। শেষে ২ বছর বাদে শুক্রবার রাতে ভারতে ফিরেছিল তারা।
এই দুজন ছাড়াও আরও ৮ জনকে আগে আইএস যোগসূত্রের ভিত্তিতে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তাদের সকলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের নাম - মহম্মদ ইমরান খান, মহম্মদ ইউনুস সাকি, আবদুল কাদিম পাঠান, সিমাব নাসিরুদ্দিন কাজি, জুলফিকর আলি, সামিল নাচন, আকিফ নাচন এবং শাহনওয়াজ আলম।
প্রসঙ্গত, শনিবারই অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও চর সংস্থা আইএসআইকে চলতি উত্তেজনার খবরাখবর সরবরাহের অভিযোগে হরিয়ানার এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক হরিয়ানার কৈঠাল জেলার মস্তগড় চিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পিজি ডিপ্লোমা ছাত্র। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগাযোগ ছিল।