মেঘালয়ের (Meghalaya) হানিমুন হত্যাকাণ্ডে (Honeymoon Murder Case) রাজা রঘুবংশীকে (Raja Raghubangshi) খুনে (Murder) ব্যবহার করা অস্ত্রের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এল।

এই অস্ত্র দিয়েই মারা হয়েছিল রাজা রঘুবংশীকে।
শেষ আপডেট: 16 June 2025 18:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেঘালয়ের (Meghalaya) হানিমুন হত্যাকাণ্ডে (Honeymoon Murder Case) রাজা রঘুবংশীকে (Raja Raghubangshi) খুনে (Murder) ব্যবহার করা অস্ত্রের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এল।
মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে খুন হন ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশী। গত ২ জুন রাজা রঘুবংশীর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৩ মে তাঁকে খুন করা হয়। খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর স্ত্রী সোমন এবং রাজের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না তদন্তকারীরা। সেই উত্তরের খোঁজে লাগাতার জেরা চলছে অভিযুক্তদের।
এবার তদন্তকারীদের হাতে এসেছে সেই ধারালো অস্ত্রটি। যেটি দিয়ে বারবার কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা রাজা রঘুবংশীকে। সূত্রের খবর, মৃত্যুর আগে নিজেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন রাজা।
পুলিশ জানিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল অসমের গুয়াহাটি রেল স্টেশনের কাছের কোনও এক দোকান থেকে। পরে সেটিই উদ্ধার হয় মেঘালয়ের জঙ্গলের মধ্যে, যেখানে রাজাকে খুন করে ফেলে রাখা হয়েছিল।
রাজাকে খুনের ছক ছিল তাঁর সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী সোনম রঘুবংশীর। অভিযোগ, নিজের প্রেমিক রাজ কুশওয়াহা ও তাঁর তিন বন্ধু বিশাল চৌহান, আকাশ রাজপুত এবং আনন্দ কুর্মিকে সঙ্গে নিয়ে হানিমুনের অছিলায় পরিকল্পিতভাবে রাজাকে খুন করান সোনম।
প্রথমে মনে করা হয়েছিল, ওই তিনজনই ভাড়াটে খুনি। কিন্তু পরে জানা যায়, তারা আসলে রাজ কুশওয়াহার কাছের বন্ধু।
গত ১১ মে ইন্দোরে রাজা ও সোনমের বিয়ে হয়। ২১ মে তাঁরা মেঘালয়ে আসেন মধুচন্দ্রিমার জন্য। ২৩ মে চেরাপুঞ্জির সোহরা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তাঁরা। দীর্ঘদিন খোঁজ না মেলায় শুরু হয় তল্লাশি। অবশেষে ২ জুন গভীর জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় রাজার ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ।
প্রায় ১২০০ কিমি দূরে উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে ধরা পড়েন সোনম। জেরায় তিনি স্বীকারও করে নেন খুনে জড়িত থাকার কথা। তারপরই ধরা পড়েন রাজ কুশওয়াহা এবং বাকি তিন অভিযুক্ত। তাঁদের গ্রেফতার করেছে ইন্দোর পুলিশ।