প্রথম দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত মঙ্গল পান্ডে প্রমুখ।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 November 2025 07:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ করা হবে বৃহস্পতিবার। রাজ্যের ২৪৩ আসনের মধ্যে বুধবার ভোট নেওয়া হবে ১২১টি তে। ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর পর এই প্রথম কোন রাজ্যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আড়াই দশক পর বেশ জুড়ে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন বা SIR (Special Intensive Revision)।
বৃহস্পতিবার যে ১২১ কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে তার মধ্যে বিরোধী জোটের মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী তেজস্বী যাদবের রাঘোপুর কেন্দ্র রয়েছে। কাছেই মহুয়া কেন্দ্রে প্রার্থী তাঁর দাদা তেজ প্রতাপ। লালু প্রসাদ তাঁর বড় ছেলে তেজ প্রতাপকে ত্যাজ্য ঘোষণার পর তিনি নিজের দল গড়ে মহুয়া কেন্দ্রে লড়াই করছেন। বিহারের এবারের নির্বাচনে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে তেজস্বী এবং তেজ প্রতাপের লড়াই নিয়েও জোর আলোচনা চলেছে। যার প্রভাব পড়েছে লালু প্রসাদ ও রাবড়ি দেবীর পরিবারেও। ভাইদের লড়াইকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছেন লালু-রাবড়ির সাত কন্যা।
প্রথম দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত মঙ্গল পান্ডে প্রমুখ। অন্যদিকে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে বুধবারের ভোটে প্রার্থী দুই ওজনদার নেতা শ্রাবণ কুমার এবং বিজয় কুমার চৌধুরী। প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টির বৃহস্পতিবারই প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে ভাগ্য পরীক্ষা হবে। ওই দল গঠিত হওয়ার পর গত বছর প্রথম লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিল। এই নতুন দল কোন শিবিরের ভোট কাটবে, তা নিয়ে বিহারে তুমুল চর্চা চলছে। পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত লালু প্রসাদ এক দশকের বেশি হল নির্বাচনী ময়দানে লড়াইয়ে নেই।

তেজস্বী যাদব এবং বিজেপির গায়িকা প্রার্থী মৈথিলী ঠাকুরের ভাগ্য পরীক্ষা বুধবার
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ কুমারও বেশ কয়েক বছর যাবত বিধান পরিষদের সদস্য। ফলে বিধানসভার ভোটের লড়াইয়ে নেই তিনিও।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় রাজ্যের ১৮টি জেলায় ভোট নেওয়া হবে। মধ্যে রয়েছে রাজধানী পাটনা, দ্বারভাঙ্গা, সমস্তিপুর, মুজবফফরপুর, সারণ, সিওয়ান, বৈশালী, বেগুসারাই প্রভৃতি। প্রথম দফায় ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ৭৮ লাখ। প্রথম দফার ভোটে সব দলই প্রচারে সাড়া ফেলার চেষ্টা করেছে। বিজেপির প্রচারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উত্তর প্রদেশ ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী যথাক্রমে যোগী আদিত্যনাথ এবং হিমন্ত বিশ্ব শর্মা একাধিক জায়গায় সভা করেছেন। অন্যদিকে কংগ্রেসসহ বিরোধী জোটের প্রচারের অনেকটা ঘাম ঝরিয়েছেন কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধী। প্রচার করেছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।