ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলে যৌথবাহিনীর অভিযানে ১৭ জন মাওবাদী (Maoist) নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পুরুলিয়ার মাওবাদী নেতা সুরেন্দ্রনাথ সোরেনও ছিলেন।

১৬ জনের আত্মসমর্পণ
শেষ আপডেট: 22 February 2026 18:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতে আর এক মাস সময়! মাওবাদীমুক্ত ভারতের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) ডেডলাইন শেষ হবে আগামী ৩১ মার্চ। গত কয়েকমাসে পরপর সাফল্য মিলেছে, সেই তালিকায় জুড়ল আরও এক সাফল্য। তেলঙ্গানা পুলিশের (Telengana Police) কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন সিপিআই(মাওবাদী) সাধারণ সম্পাদক দেবুজি ওরফে টি তিরুপতি এবং শীর্ষ নেতা রাজা রেড্ডি। তাঁর সঙ্গেই আরও ১৪ জন নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন। দেবুজির মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা।
বিগত কিছু সময়ে মাওবাদী আন্দোলন (Maoist Protest) অনেকটাই কমে এসেছে। যৌথবাহিনীর ক্রমাগত অভিযান, শক্ত ঘাঁটিগুলি ধ্বংস এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেফতারির ফলে সংগঠনের কার্যক্রম অনেকটাই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলে যৌথবাহিনীর অভিযানে ১৭ জন মাওবাদী (Maoist) নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পুরুলিয়ার মাওবাদী নেতা সুরেন্দ্রনাথ সোরেনও ছিলেন। তবে সিপিআই-র (মাওবাদী) পলিটব্যুরোর সদস্য মিসির বেসরা ও আকাশ তখন পালিয়ে যান।
এছাড়াও বছরের গোড়ায় ছত্তীসগড়ের সুকমা জেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে কুখ্যাত নেতা মাদ্ভী হিডমা নিহত হন।
গত বছরও মাওবাদী শীর্ষ নেতা বাসবরাজু এনকাউন্টারে নিহত হন। এই অভিযানের পরই মাওবাদী আন্দোলনের ঝাঁঝ অনেকটাই কমতে শুরু করে। তাঁর অবর্তমানে নেতৃত্ব দিয়েছেন দেবুজি।
বর্তমানে দেশে মাওবাদী আন্দোলনের চারজন প্রধান নেতা রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে দেবুজি সাধারণ সম্পাদক। অন্যরা হলেন মিসির বেসরা (বাংলা) ও লক্ষ্ণণরাও বা গণপতি (তেলঙ্গনা)।
নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাকি নেতাদেরও চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে (anti-Maoist operations)। এই অভিযানের ফোলে আগামী এক মাসে মাওবাদী সংগঠন সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়তে পারে।
এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, দেবুজি ও রাজা রেড্ডির আত্মসমর্পণ দেশের নিরাপত্তা এবং মাওবাদী কার্যক্রম দমন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।