Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

ভারতে ১৬ লাখ শিশু গত বছর হাম, টিটেনাস-সহ জরুরি টিকা পায়নি, রিপোর্টে জানাল, হু, ইউনিসেফ

ইউনিসেফ সোমবার জেনেভায় জানিয়েছে, ভারতে গত বছর ১৬ লাখ শিশু হাম, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটেনাস বা ধনষ্টংকারের টিকা পায়নি।

ভারতে ১৬ লাখ শিশু গত বছর হাম, টিটেনাস-সহ জরুরি টিকা পায়নি, রিপোর্টে জানাল, হু, ইউনিসেফ

টিকাকরণ

শেষ আপডেট: 15 July 2024 12:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মহামারীর সময়ে টিকাকরণের সব ধরনের কর্মসূচিই বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল গোটা বিশ্ব জুড়ে। মহামারী দূর হতে বেশিরভাগ রাষ্ট্রই আগের অবস্থায় ফিরে গিয়েছে। অর্থাৎ টিকাকরণ কর্মসূচি আগের মতোই চলছে। হাতে গোনা যে ক’টি দেশ এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি তাদের অন্যতম হল ভারত। তালিকায় নাম আছে পাকিস্তানেরও। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এবং রাষ্ট্রসংঘের শিশু কল্যাণ বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সোমবার জেনেভায় জানিয়েছে, ভারতে গত বছর ১৬ লাখ শিশু হাম, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটেনাস বা ধনষ্টংকারের টিকা পায়নি। শিশুকে জন্মের কয়েকদিনের মধ্যেই এই টিকাগুলি দেওয়া বাধ্যতামূলক। সদ্যজাতের মৃত্যু ঠেকাতে এই টিকাগুলি অত্যন্ত জরুরি।

বাচ্চাকে টিকা দিতে দুয়ারে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

দুই আন্তর্জাতিক সংস্থা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানিয়েছে, ভারতে গত বছর জরুরি টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২২-এর তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি। সংস্থা দুটি মনে করে, বাস্তবে উল্টো হওয়া উচিত ছিল। পড়শি দেশ পাকিস্তানও শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিকে পিছিয়ে পড়েছে। পিছিয়ে থাকা দেশগুলির মধ্যে ভারত, পাকিস্তানের সঙ্গে এক তালিকায় আছে নাইজেরিয়া, কঙ্গো এবং ইথিওপিয়া। এই সব দেশ মিলিয়ে টিকা বঞ্চিত শিশুর সংখ্যা ২৭ লাখ। তারমধ্যে ভারতে বঞ্চিত শিশুর সংখ্যা ১৬ লাখ। 

যে শিশুরা টিকা থেকে সাধারণত বঞ্চিত থেকে যায়।

২০২০ সালে করোনার সময় ২৫ লাখ বাচ্চা ডিপিটি এবং সাড়ে তিন লাখ শিশু হামের টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। জিরো ডোজ চিল্ড্রেন বা একটিও টিকা পায়নি, করোনার সময় এমন শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ লাখ হয়ে গিয়েছিল। তাতে লাগাম দেওয়া গিয়েছিল ২০২১ ও ২০২২। কিন্তু ২০২৩-এ টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা কমে গিয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে রাজ্যগুলির চিত্র আলাদা করে তুলে ধরা হয়নি। কী কারণে এই ব্যর্থতা তারও উল্লেখ নেই রিপোর্টে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে এই কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। তবে ভারতে টিকাকরণের কাজে যুক্ত একটি অসরকারি সংস্থার কর্তার মতে, টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা ভাতা-সহ নানা দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। স্বাস্খ্যকর্মীর সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। ফলে নজরদারির অভাবের প্রভাব পড়ছে টিকাদান কর্মসূতিতে। ভারত সরকার এখনও পর্যন্ত এই রিপোর্ট সম্পর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।


```