Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

অনেক হাতি! তাই চিন ও দুবাইয়ে হাতি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন করছে এই দেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ১০০টি হাতি চিন ও দুবাইয়ের কাছে বিক্রি করেছে জিম্বাবোয়ে! এবং তার বিনিময়ে জিম্বাবোয়ে সরকারের রোজগার ২৭ লক্ষ মার্কিন ডলার! জিম্বাবোয়ের বন দফতর থেকে এমনই তথ্য জানা গিয়েছে সম্প্রতি। বন দফতরের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও জানিয়েছ

অনেক হাতি! তাই চিন ও দুবাইয়ে হাতি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন করছে এই দেশ

শেষ আপডেট: 15 May 2019 13:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ১০০টি হাতি চিন ও দুবাইয়ের কাছে বিক্রি করেছে জিম্বাবোয়ে! এবং তার বিনিময়ে জিম্বাবোয়ে সরকারের রোজগার ২৭ লক্ষ মার্কিন ডলার! জিম্বাবোয়ের বন দফতর থেকে এমনই তথ্য জানা গিয়েছে সম্প্রতি। বন দফতরের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও জানিয়েছেন, হাতি বিক্রির ওই টাকা অরণ্য সংরক্ষণের কাজেই লাগানো হয়েছে।

ফারাও সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেন, "জিম্বাবোয়ের জাতীয় অভয়ারণ্যে হাতিদের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা বেশ মুশকিল হচ্ছিল। হু হু করে বাড়ছিল হাতির সংখ্যা। সেই কারণেই অন্য দেশে হাতিগুলি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছ'বছর ধরে এই বিক্রির কাজ চলেছে এবং অর্জিত টাকা দিয়ে বাকি হাতিগুলির দেখভাল করা হচ্ছে। এটা না করলে, এত হাতি বেড়ে যাওয়া নিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছিলাম আমরা। আমাদের মনে হয়, অন্য দেশে হাতি পাঠিয়ে আমরা বনসম্পদ সঠিক ভাবে কাজে লাগাচ্ছি।" তিনি আরও জানান, অরণ্যে হাতির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অরণ্যগুলোয় জলের স্তর নেমে যাচ্ছিল দ্রুত। গ্রীষ্মে জলের সঙ্কটে ওদেরও কষ্ট। সেই কারণে অনেক খরচ করে বিকল্প জলের ব্যবস্থাও করতে হচ্ছিল জিম্বাবোয়ের বন দফতরকে। সব মিলিয়ে হাতিগুলিকে অন্য কোথাও পাঠানো ছাড়া উপায় ছিল না। সে ক্ষেত্রে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, "আমাদের অরণ্যে জলের উৎস মাটির তলা থেকে। সেটা গ্রীষ্মকালে সমস্যা তৈরি করে। খরাও হয়। তখন হাতিগুলিকে সুস্থ রাখার লড়াই চালানো খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। জলের বিকল্প উৎস খুঁজতে হয়রান হয়ে যাই আমরা।" জিম্বাবোয়ের পর্যটন মন্ত্রী প্রিসকা মাপফুমিরা বলেন, "এই মুহূর্তে দেশে ৮৫ হাজারটি হাতি রয়েছে। কিন্তু আমাদের পক্ষে ৫৫ হাজারটির বেশি হাতির দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা ৯৮টি হাতি প্লেনে করে পাঠিয়েছি চিন ও দুবাইয়ে। ১৪ হাজার থেকে ৪২ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত দাম পেয়েছি এক একটির।" তিনি আরও জানান, হাতির দাঁত বিক্রির উপরে যে আন্তর্জাতিক নিষেধ রয়েছে, তা উঠিয়ে দিতে চান তাঁরা। বন দফতরের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও বলেন, "প্রাণী বিক্রি করা নিয়ে অনেক আপত্তির মুখোমুখি হয়েছি আমরা। কিন্তু আমরা প্রাণীগুলির রক্ষণাবেক্ষণ করতে না-পেরেই বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। হাতির সংখ্যা এত বেড়েছিল, সেগুলি প্রায়ই বনভূমি ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে মানুষ মারছিল, আহত করছিল।"

```