.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 20 November 2024 20:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যে বাড়ছে মশার উপদ্রব। উদ্বেগ বাড়িয়েছে ডেঙ্গির সংক্রমণের সংখ্যাও। গত ৯ নভেম্বর কলকাতার জোড়াবাগান থানা এলাকার এক তরুণের মৃত্যুও হয় ডেঙ্গির সংক্রমণে।
তবে সামগ্রিক পরিসংখ্যানের নিরিখে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা গতবারের চেয়ে অনেকটা কম। তথৈবচ হাল উত্তর ২৪ পরগনাতেও। অথচ গতবারে কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে ছিল। সেখানে এবারে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তে সংখ্যা ১৯ হাজার ৯১৭ জন। এই রিপোর্ট ১৩ নভেম্বরের। শেষ এক সপ্তাহে সংক্রমণের সংখ্যা আরও কিছুটা বেড়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার আক্রান্ত শুধু মুর্সিদাবাদেই।
শীত বাড়লে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কাও করা হচ্ছে। অতীতের পরিসংখ্যান অন্তত তেমনটাই জানান দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ডেঙ্গির পাশাপাশি সম্প্রতি চিকুনগুনিয়া নিয়েও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলায়। মশাবাহিত জোড়া মারণ রোগের মোকাবিলায় শুরু হয়েছে মশা নিধন পর্ব। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জোর দেওয়া হয়েছে সচেতনতা প্রচারেও। বাড়ির আশেপাশে কোথাও জমা জল যেন না থাকে, হাত পা ঢাকা দেওয়া জামা পরার কথা বলা হচ্ছে। রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, পুজোর আগে থেকেই মালদহ, মুর্শিদাবাদের একাংশে অজানা জ্বরের উপদ্রব দেখা দিয়েছিল। জ্বরের সঙ্গে মাথা ধরা, অসহ্য হাতে পায়ে ব্যথা। তবে প্রথমের দিকে অনেকেই এটিকে সাধারণ জ্বর ভেবেছিলেন। কিন্তু কারও কারও দু'সপ্তাহ পরেও জ্বর বা মাথা ব্যথার প্রকোপ না কমায় নতুন করে ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তখনই জানা যায়, সাধারণ কোনও জ্বর নয়, গ্রামের অনেকেই চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত।