Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

ফুরিয়ে আসছে অক্ষর, দিন গুনছেন আন্দুলের ৬০ বছর পুরনো ছাপাখানার কর্মীরা

ছাপাখানার বয়স ৬০ বছরেরও বেশি। এখনও পুরনো ছাপা যন্ত্র দিয়েই কাজ চলে সেখানে।

ফুরিয়ে আসছে অক্ষর, দিন গুনছেন আন্দুলের ৬০ বছর পুরনো ছাপাখানার কর্মীরা

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 4 January 2025 19:38

দেবাশিস গুছাইত, হাওড়া 

নতুন বছরের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর রেওয়াজ আছে তাই এখনও ক্যালেন্ডারের চাহিদা আছে। আর এই কারণেই আন্দুলের এই ছাপাখানায় ইংরেজি নববর্ষের ক্যালেন্ডার ছাপানোর কাজ চলছে জোরকদমে।  

মহিয়ারী চূড়ামণি পাড়া এলাকার কোয়ালিটি আর্ট প্রিন্টার। এই ছাপাখানার বয়স ৬০ বছরেরও বেশি। এখনও পুরনো ছাপা যন্ত্র দিয়েই কাজ চলে সেখানে। ডিজিটাল প্রিন্টিং-এর থেকে অনেক কম খরচে ছাপার কাজ হয়। তাই অনেকেই এখনও আসেন চূড়ামণি পাড়ার এই ছাপাখানায়। 

ছাপার জন্য যে অক্ষর ব্যবহৃত হয় তা এখন পাওয়া যায় না। তাই স্টকে এখনও পর্যন্ত যা অক্ষর আছে তাই দিয়েই ছাপার কাজ চালানো হচ্ছে এই ছাপাখানায়। তবে নতুন বছরেও অস্তিত্বহীনতায় ভুগছেন ছাপাখানার মালিক-শ্রমিক উভয়পক্ষই।

তাঁদের সকলেরই চিন্তা এইভাবে ছাপাখানা আর কতদিন চলবে বা কতদিন কাজ চালানো সম্ভব হবে। নতুন বছরে কাজ জোরকদমে হলেও এই আশঙ্কাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাঁদের। এই ছাপাখানার কাজে ৩০ বছর ধরে যুক্ত আছেন অশোক দাস। তিনি জানিয়েছেন, ৪ থেকে ৬ মাস এই কাজ করেন তিনি এবং বাকি সময় পাথর ভাঙ্গার কাজ করেন। সেই কারণে তাঁকে ভিন রাজ্যেও যেতে হয়। ছাপাখানা বন্ধের আশঙ্কা তাই গ্রাস করে তাঁকেও।

কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ নিয়ে মালিক ও কর্মচারী এইভাবেই চালিয়ে যাচ্ছেন ছাপার কাজ। ছাপাখানা যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে চেনা শব্দটাও আর কানে আসবে না আশেপাশের মানুষের। তাঁরাও চান শেষের দিন যেন আরও দেরিতে আসে। 


```