Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগে স্থির হয়েছিল, জুলাই অবধি বাড়ি থেকে কাজ করবেন তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তি সহায়ক শিল্পের কর্মীরা। কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে টেলিকম দফতর থেকে জানানো হল, আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওই ছাড় দেওয়া হবে। অর্থাৎ

ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা

শেষ আপডেট: 22 July 2020 06:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগে স্থির হয়েছিল, জুলাই অবধি বাড়ি থেকে কাজ করবেন তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তি সহায়ক শিল্পের কর্মীরা। কিন্তু দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে টেলিকম দফতর থেকে জানানো হল, আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ওই ছাড় দেওয়া হবে। অর্থাৎ এবছর পুরোটাই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবেন। টেলিকম দফতর থেকে বলা হয়েছে, "দেশে করোনা পরিস্থিত উদ্বেগজনক। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আইটি কর্মীদের ছাড়ের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হবে।" এই সিদ্ধান্তে খুশি হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প। উইপ্রোর চেয়ারম্যান রিশাদ প্রেমজি টুইট করে বলেছেন, "এখন কাজের পদ্ধতি বদলে ফেলতে হচ্ছে। প্রথম থেকেই আমাদের সাহায্য করছে সরকার। আমরা সরকারকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।" ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প বহুদিন ধরেই সরকারের কাছে আর্জি জানাচ্ছিল, স্থায়ীভাবে বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হোক। তারা চায়, কয়েকজন কর্মী অফিসে এসে কাজ করুন, বাকিরা ডিউটি করুন বাড়ি থেকে। এইভাবে অফিসের পিছনে খরচ অনেকাংশে কমানো যাবে। সরকার ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এ ছাড় দেওয়ার পরে ন্যাসকম-এর প্রেসিডেন্ট দেবযানী ঘোষ টুইট করে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। করোনা অতিমহামারীর ফলে অন্যান্য শিল্পের মতো তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। আইএমএফ বলেছিল, ২০২০ সালে ভারতের মোট জাতীয় উৎপাদন কমবে ৪.৫ শতাংশ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকও সেই সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে। সরকারের বক্তব্য, কোভিড ১৯ অতিমহামারীর ফলে বাজারে চাহিদা ও যোগানের ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে, করোনার কোনও প্রতিষেধক নেই। এর ফলেই বাজারে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক অস্থিতিশীলতা। পুরোপুরি আনলক হওয়ার পরে অর্থনীতি আগের অবস্থায় ফিরবে কিনা, তা নির্ভর করছে আমরা এখন কী পদক্ষেপ নেব তাঁর ওপরে। অর্থমন্ত্রকের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সরকার ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। খুব কৌশলের সঙ্গে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার চেষ্টা হচ্ছে। গত মার্চেই সরকার ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বুঝতে পেরেছিল, অর্থনীতির গতি হয়ে পড়বে ধীর। সেকথা ভেবেই আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অর্থনীতির পরিকাঠামোয় কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। কয়েকটি জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতিতে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। সরকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য এনেছে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নামে এক প্যাকেজ। এর ফলে অতিমহামারীর সময় সংস্কার হবে দ্রুত।

```