Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরও

মমতার পথে হাঁটবেন কি শচীন, ব্যবস্থা নেওয়ার ভাবনা কংগ্রেসে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বনাম প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের (Sachin Pilot) লড়াই কংগ্রেস (Congress ) তো বটেই, গোটা বিরোধী শিবিরের চর্চার বিষয় হয়েছে আগেই। দুই নেতার হালের গোলমাল নিয়ে বুধবার এক সরকারি অ

মমতার পথে হাঁটবেন কি শচীন, ব্যবস্থা নেওয়ার ভাবনা কংগ্রেসে

শেষ আপডেট: 13 April 2023 06:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বনাম প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের (Sachin Pilot) লড়াই কংগ্রেস (Congress ) তো বটেই, গোটা বিরোধী শিবিরের চর্চার বিষয় হয়েছে আগেই। দুই নেতার হালের গোলমাল নিয়ে বুধবার এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী গেহলটের সঙ্গে হাল্কা রসিকতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বন্ধু গেহলটজিকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞা যে ঘরোয়া সংঘাতের মধ্যেও তিনি অনুষ্ঠানে এসেছেন।’

কংগ্রেস সূত্রের খবর, মোদীর রসিকতাই শুধু নয়, রাজস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড আগে থেকেই অত্যন্ত বিরক্ত। বিধানসভা ভোটের মাস সাতেক আগে রাজ্য ও জাতীয় স্তরে পরিচিত মুখ শচীন পাইলটের বিদ্রোহ নিয়ে দল খুবই অস্বস্তিতে পড়েছে। বহুদিন হাত গুটিয়ে থাকার পর রাজস্থান নিয়ে অবশেষে তাই নড়েচড়ে বসেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।

বিক্ষুব্ধ নেতা শচীন পাইলট ও মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের সঙ্গে বৃহস্পতিবার কথা বলবেন রাজস্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা সুখজিন্দর রানধাওয়া। দু’জনের সঙ্গে ফোনে আগেই কথা হয়েছে তাঁর। বৃহস্পতিবার মুখোমুখি কথা হওয়ার কথা।

বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় রানধাওয়ার। খাড়্গে এরপর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেন। রাতে রাহুল বিস্তারিত জানান সনিয়া গান্ধীকে। সূত্রের খবর, বৈঠকে রাহুলও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শচীনকে নিয়ে। তবে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী কী বলেন তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। শচীনকে অতীতে একাধিকভার শাস্তির খাঁড়া থেকে বাঁচিয়েছেন সনিয়া কন্যা। গান্ধী পরিবারের সবুজ সংকেত মিললে শচীনের এযাত্রায় সাজা এড়ানো কঠিন।

মঙ্গলবার জয়পুরে অনশন ধর্মঘট শেষ করেই শচীন দিল্লির বিমান ধরেন। সম্ভবত, তিনি বুঝে গিয়েছেন, এই যাত্রায় শাস্তি এড়ানো কঠিন। জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে বুধবার সারা দিনে রনধাওয়া-সহ কংগ্রেসের কোনও নেতাই শচীনকে সময় দেননি।

দলীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের পর রনধাওয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘শচীন পাইলট যে ইস্যুতে অনশন ধর্মঘটে বসেছিলেন তা নিয়ে আমাকে কোনও দিন কিছু বলেননি। হাইকমান্ডের বারণ সত্ত্বেও তিনি কর্মসূচি বাতিল করেননি। এটা দলবিরোধী কাজ। দল তাঁর কাছে জানতে চাইবে তিনি কী চান।’

রনধাওয়াকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, গত বছর খাড়্গে-সহ এআইসিসির নেতাদের উপস্থিতিতে রাজস্থান কংগ্রেসের যে নেতারা মুখ্যমন্ত্রী গেহলটের পক্ষ নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে এখনও কেন দল ব্যবস্থা নিল না। রনধাওয়া বলেন, ‘আমি তখন রাজস্থান কংগ্রেসের দায়িত্বে ছিলাম না। তবে এবার শাস্তি হবে।’

এই পরিস্থিতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে শচীন কি তবে বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুসরণ করে কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল গড়বেন। এখনই এই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা না গেলেও সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহল।

বছর পঁচিশ আগে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের সঙ্গে হুবহু এক না হলেও শচীনের লড়াইয়ের অনেকটাই মিল আছে। মমতার লড়াই ছিল রাজ্য কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ ছিল রাজ্যের শাসক দল সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেস বোঝাপড়া করে চলছে। কংগ্রেসকে আন্দোলনের পথে ফেরানোর চেষ্টা শুরু করতেই তাঁর উপর বহিষ্কারের খাঁড়া নেমে আসে। অভিযোগ তোলা হয় দলবিরোধী কাজের। তোয়াক্কা না করে মমতা নিজে দল গড়ে বাংলায় কংগ্রেসকে একপ্রকার মুছে দিয়েছেন।

শচীনের মূল লড়াই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, তিনি রাজস্থানে কংগ্রেসকে আন্দোলনমুখী করেছিলেন বলেই ২০১৮-র বিধানসভা ভোটে দল ক্ষমতায় ফিরতে পেরেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি তখনই তাঁর প্রাপ্য ছিল। এতদিন বঞ্চিত করার পর এবার আগামী ভোটে তাঁকে সামনে রেখে লড়াই করুক দল।

বিক্ষুব্ধ এই নেতা মুখ্যমন্ত্রী পাইলটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বসুন্ধরা রাজে সরকারের বিরুদ্ধে থাকা ২৫ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে গেহলট উচ্চবাচ্য করেননি। তদন্ত না করিয়ে বিজেপির সুবিধা করে দিয়েছেন।

কংগ্রেস হাইকমান্ডের বক্তব্য, শচীনের বক্তব্য ভিত্তিহীন নয়। তবে এই বিষয়ে তাঁর যা বলার বিধানসভার অধিবেশনে বলা উচিৎ ছিল। অনশন আন্দোলন করে নিজের দলের সরকারকে বিপাকে ফেলেছেন, তাই-ই শুধু নয়, বারণ করা সত্ত্বেও প্রতিবাদ কর্মসূচি বহাল রেখেছেন। যা বিজেপির হাত শক্ত করেছে।

মোদীর সাধের বন্দে ভারত তৈরি হবে বাংলায়, ৮০টি স্লিপার ক্লাস ট্রেন তৈরি করবে উত্তরপাড়ার কারখানায়


```