
শেষ আপডেট: 7 February 2024 18:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: দম্পতির মধ্যে অশান্তি হয়েছিল। ঝগড়ার পরেও রাগে ফুঁসছিলেন স্বামী। এর পরই ঘুমন্ত স্ত্রীকে গলার নলি কেটে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার হাতে জখম হয় নাবালক ছেলেও। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক। বুধবার এই ঘটনা সামনে এলে শোরগোল পড়ে যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ব্লকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতার নাম উমা দাস জানা। তিনি ১১ নম্বর মোহাড় অঞ্চলের বড়দা এলাকায় স্বামী ও ছেলের সঙ্গে থাকতেন।
মৃত মহিলার বাবা জানিয়েছেন, ১৫ বছর আগে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় বড়দা এলাকার বাসিন্দা গুরুপদ জানার। তাঁর অভিযোগ, জামাই মদে আসক্ত। মেয়েকে প্রতিনিয়ত সন্দেহ করত। বিয়ের পর থেকে মদ্যপ অবস্থায় তাঁকে মারধর করত। বহুবার আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু জামাইয়ের আচরণে বদল ঘটাতে পারেননি।
অভিযোগকারী বাবার কথায়, "মঙ্গলবার রাতে মেয়ের সঙ্গে তুমুল অশান্তি শুরু করে গুরুপদ। কিছুক্ষণ পরে নাতিকে নিয়ে মেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে তাঁকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে জামাই। মায়ের চিৎকারে ঘুম থেকে উঠে পড়েছিল নাতিও। বাবাকে আটকাতে গিয়ে জখম হয় সে। স্ত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলার নলি কেটে দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় গুরুপদ। সমস্ত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাতি।"
তিনি জানিয়েছেন, প্রতিবেশীরা এই খুনের বিষয়ে টের পেয়ে পুলিশ ডাকেন। সবং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। ইতিমধ্যে তিনি সবং থানাতে জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।