Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

করোনার কোপে কেন পুরুষরাই বেশি, নেশা না অন্যকিছু, বিজ্ঞানীরা জানালেন সম্ভাব্য কারণ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুরুষদের মধ্যেই কেন বেশি, এই নিয়ে নানা গবেষণা চলছে। বিশেষত ষাটোর্ধ্ব পুরুষরা একই বয়সী মহিলাদের থেকে বেশি সংক্রামিত হচ্ছেন। কমবয়সীদের মধ্যেও সমীক্ষা চালিয়ে এমনটাই দেখা গেছে। কী কারণ হতে পারে সে নিয়ে বিজ

করোনার কোপে কেন পুরুষরাই বেশি, নেশা না অন্যকিছু, বিজ্ঞানীরা জানালেন সম্ভাব্য কারণ

শেষ আপডেট: 26 August 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুরুষদের মধ্যেই কেন বেশি, এই নিয়ে নানা গবেষণা চলছে। বিশেষত ষাটোর্ধ্ব পুরুষরা একই বয়সী মহিলাদের থেকে বেশি সংক্রামিত হচ্ছেন। কমবয়সীদের মধ্যেও সমীক্ষা চালিয়ে এমনটাই দেখা গেছে। কী কারণ হতে পারে সে নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যেও নানা মত আছে। তবে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন গবেষকরা। বুধবার ‘নেচার’ সায়েন্স জার্নালে একটি গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে বলা হয়েছে, মহিলাদের টিকার যে ডোজ দেওয়া হচ্ছে পুরুষদের কিছু ক্ষেত্রে ডোজের পরিমাণ বাড়াতে হয়েছে। ৬০ বছরের কাছাকাছি বয়স বা তার বেশী বয়সীদের টিকার অন্তত তিনটি ডোজ দিতে হচ্ছে। কারণ দেখা গেছে, মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইমিউনিটি কম। বয়স্ক পুরুষদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি একই বয়সী মহিলাদের থেকে তুলনায় কম। অন্যদিকে, মহিলাদের শরীরে টিকার ডোজে খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব পড়ছে। ইমিউনিটি তৈরি হচ্ছে। ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষক আকিকো ইওয়াসাকি এই গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি বলেছেন, লিঙ্গভেদে ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাব কতটা সে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। দেখা গেছে, মহিলাদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি পুরুষদের থেকে বেশি। তাদের শরীরে প্রাকৃতিক নিয়মেই ইমিউন সিস্টেম অনেক শক্তিশালী। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা প্যাথোজেনের সংক্রমণ হলে শরীর খুব দ্রুত তার উপযোগী প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। [caption id="attachment_253852" align="aligncenter" width="650"] ডক্টর আকিকো ইওয়াসাকি[/caption] জার্মানির হ্যামবার্গের ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল সেন্টারের গবেষক ডক্টর মার্কাস আটফেল্ড বলেছেন, পুরুষরা কেন বেশি ভাইরাস আক্রান্ত হচ্ছেন তার সম্ভাব্য কিছু কারণ পাওয়া গেছে। মূলত দুটি কারণ সামনে এসেছে— এক, যৌন হরমোনের প্রভাব। গবেষণায় দেখা গেছে স্ত্রী যৌন হরমোন ইস্ট্রোজেন এই ACE-2 রিসেপটর প্রোটিনের উপর প্রভাব খাটাতে পারে। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলেছেন,  এই রিসেপটর প্রোটিন পুরুষ ও স্ত্রীয়ের শরীরে ভিন্ন রকম ভাবে কাজ করে।  পরীক্ষা করে দেখা গেছে ইস্ট্রোজেন কিডনিতে এসিই-২ রিসেপটর প্রোটিনের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই প্রোটিনের প্রকাশ যদি কমে তাহলেই ভাইরাস আর এই রিসেপটরকে চিহ্নিত করতে পারবে না। ফলে কোষে ঢোকার রাস্তাটাই খুঁজে পাবে না। যৌন হরমোনের তত্ত্বে যদিও সব বিজ্ঞানীরা সম্মতি দেননি। জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের দাবি, স্ত্রী যৌন হরমোনের কারণেই যদি মহিলারা কম সংক্রমিত হন, তাহলে বয়স্ক মহিলাদের মধ্যেও সংক্রমণের হার কম কেন। মেনোপজ হয়ে গেছে এমন মহিলারাদের থেকে বয়স্ক পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন কোভিড সংক্রমণে। অনেক গবেষকেরই তাই দাবি, শুধু স্ত্রী যৌন হরমোন নয়, ধূমপানে আসক্তি, জীবনযাপনের ধরন, পরিচ্ছন্নতা ও নেশার মাত্রা, অনেককিছুই ফ্যাক্টর রয়েছে নারী-পুরুষ সংক্রমণ হারের এই ফারাকের পিছনে। দুই, টি-কোষের সক্রিয়তা। গবেষকরা দাবি করেছেন, মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের টি-কোষের সক্রিয়তা কম। বিশেষত, ভাইরাসের মোকাবিলা করতে মহিলাদের টি-কোষ যতটা সক্রিয়, পুরুষদের ততটা নয়। অথচ এই টি-কোষই শরীরের রোগ প্রতিরোধের মূল অস্ত্র। সিডি৮ রিসেপটর যুক্ত টি-কোষ ভাইরাল প্রোটিন শুধু নয় ভাইরাস সমেত সংক্রামিত কোষকেও নষ্ট করে ফেলতে পারে। টিকার ডোজে অ্যান্টিবডি তৈরি করার পাশাপাশি এই টি-কোষকেও জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন গবেষকরা। দেখা গেছে, ৯০ বছরের মহিলারও টি-কোষ অ্যাকটিভ হতে পারে, পুরুষদের ক্ষেত্রে সে সম্ভাবনা কম। যৌন হরমোনের প্রভাব যদি না থাকে তাহলে টি-কোষের সক্রিয়তাও একটা কারণ হতে পারে বলেই দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।

```