.webp)
বিরূপাক্ষ বিশ্বাস।
শেষ আপডেট: 28 September 2024 09:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘটনার দিন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিরূপাক্ষ বিশ্বাস কেন গিয়েছিলেন, তা নিয়ে আগেই উঠেছিল প্রশ্ন। এবার এবিষয়ে একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কারণ জানালেন সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষ।
তাঁর দাবি, "ওয়েস্ট বেঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেই সেদিন তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।" তবে বিষয়টি যেহেতু বিচারাধীন, তাই এ ব্যাপারে এর চেয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি তিনি।
একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা থ্রেট কালচারের অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন মেডিক্যাল কাউন্সিলের পিনাল ও এথিক্স কমিটির প্রাক্তন সদস্য বিরুপাক্ষ। আরজি করের ঘটনায় ইতিমধ্যে তাঁকে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল।
বিরূপাক্ষর দাবি, "রাজ্যের কোনও মেডিকেল কলেজে এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে একটাও অভিযোগ ছিল না। এখন যেগুলো বলা হচ্ছে, সেগুলো কিছু মানুষ তাঁদের ব্যক্তিগত শত্রুতা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে করছেন।"
আরজি কর কাণ্ডের পরে মেডিক্যাল দুর্নীতি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। ছাত্রী খুনের মামলার পাশাপাশি আরজি করের দুর্নীতিরও তদন্ত করছে সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ-সহ একাধিক ডাক্তার এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে। সম্প্রতি এই তালিকায় সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের নামও জুড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগও রয়েছে।
কে এই বিরূপাক্ষ বিশ্বাস?
সূত্রের খবর, বর্ধমান মেডিক্যালের প্যাথোলজি বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্স ডক্টর বিরূপাক্ষ চিকিৎসক মহলে যথেষ্ট প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাও সর্বজন বিদিত। সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই ডাক্তার বিরূপাক্ষের নাম উঠে আসে। যদিও এই ভাইরাল অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল।
এরপরে স্বাস্থ্য দফতর থেকে তাঁকে বদলি করে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু ডাক্তার বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে নিয়ে অসন্তাষের রেশ পৌঁছে যায় কাকদ্বীপেও। কাজে যোগ দিতে গেলে তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হবে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েই পোস্টার সাঁটানো হয়ে হাসপাতালে। এরপরই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিরূপাক্ষকে সাসপেন্ড করার কথা জানানো হয়। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জেরার মুখেও পড়েছেন সন্দীপ ঘনিষ্ঠ এই প্রভাবশালী চিকিৎসক।