
বিধানসভা
শেষ আপডেট: 5 June 2024 08:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আড়াই মাসের ভোটযুদ্ধের পর মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে ফলাফল। বাংলার লোকসভা ভোটের রেজাল্টে গত কয়েক দিন ধরে চলা যাবতীয় হিসাব নিকেশ, একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষা কোনও কিছুই মেলেনি। যেখানে অধিকাংশ এক্সিট পোল এনডিএ-কে ৪০০-র দোরগোড়াকে পৌঁছে দিয়েছিল, সেখানে বাস্তবে বিজেপির জোটকে ৩০০ ছুঁতে হিমশিম খেতে হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুগলবন্দীতে বাংলায় বাজিমাত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোটের ফলাফলের সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে বাড়ল উপনির্বাচনের সংখ্যা।
লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে রাজ্যের দুটি উপনির্বাচন হয়েছে। দুটি আসনেও জয় পেয়েছে তৃণমূল। এবার আরও বিধানসভার আসন বিধায়ক শূন্য হওয়ার বেড়েছে উপনির্বাচনের সংখ্যা।
চব্বিশের লোকসভায় শাসক-বিরোধী দুই শিবির থেকেই একাধিক বিধায়ককে প্রার্থী করা হয়েছিল। মনোজ টিগ্গা, হিরণ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের পার্থ ভৌমিক, জুন মালিয়া-সহ দুই দলেরই একাধিক বিধায়ক দিল্লি বাড়ির লড়াইয়ের টিকিট পেয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে সকলেই অবশ্য জয়ী হননি। তবে এসবের মধ্যে বেড়েছে বাংলার বিধানসভা উপনির্বাচন কেন্দ্রের সংখ্যাও।
ফলাফল প্রকাশের পর স্পষ্ট হয়েছে বাংলার ঠিক কোন কোন আসনের বিধানসভা কেন্দ্রগুলি বিধায়কশূন্য অবস্থায় রয়েছে। হাড়োয়ার বিধায়ক হাজি নুরুল ইসলামকে বসিরহাট থেকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। তিনি সন্দেশখালি ঝড়কে ধুয়ে মুছে জয়ী হয়েছেন। রায়গঞ্জের বিধায়ক পদে ছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। তৃণমূলের টিকিটে লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার পর তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। আবার রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন মুকুটমণি অধিকারী। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বাগদা বিধানসভার বিশ্বজিৎ দাসও বিধায়ক পদ ছেড়েছেন।
মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আলিপুরদুয়ার আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। কোচবিহারের বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়াও কোচবিহারের নব নির্বাচিত সাংসদ। আবার মেদিনীপুর লোকসভা থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক জুন মালিয়া। বিজেপির অর্জুন সিংকে হারিয়ে ব্যারাকপুরে জয় ছিনিয়ে এনেছেন পার্থ ভৌমিক। এছাড়া মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মৃত্যু হওয়ায় সেটিও বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে। সার্বিক প্রেক্ষাপটে এই সমস্ত বিধানসভা আসনগুলি বিধায়কশূন্য হয়েছে। ফলে রাজ্যে বেড়েছে উপনির্বাচনের সংখ্যা।