
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 15 June 2024 11:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারী বৃষ্টি এবং একের পর এক ধসের জেরে উত্তর সিকিমে আটকে রয়েছেন হাজারের বেশি পর্যটক। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আটকে রয়েছেন ১০ জন বাংলাদেশি-সহ ১৫ জন বিদেশি পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারে আগেই সিকিম সরকারের সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এবার চালু করা হল হেল্পলাইন ডেস্ক। দেওয়া হল দুটি হেল্পলাইন নম্বরও।
ভারী বৃষ্টি ও ধসে বিপর্যস্ত সিকিম।
কালিম্পঙের জেলাশাসকের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পর্যটকদের উদ্ধারের কাজে একটি হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। সাহায্যের জন্য দুজন আধিকারিকের ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। এগুলি হল- রবি বিশ্বকর্মা (৮৭৬৮০৯৫৮৮১) এবং পুষ্পজিৎ বর্মণের (৯০৫১৪৯৯০৯৬) মোবাইল নম্বর।
প্রসঙ্গত সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকদের জন্য আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টেলিফোনে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক আধাকারিকদের কাছ থেকে ঘটনার খবরও নেন। এবার চালু করা হল হেল্প ডেস্ক।
ভারী বৃষ্টিপাত এবং একের পর এক ধসের জেরে বিপর্যয় নেমে আসে সিকিমে। ধস নেমে সেতু ভেঙে লাচুং, লাচেন-সহ সিকিমের বহু এলাকার সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বেগ পেতে হচ্ছিল উদ্ধারকাজেও।
সূত্রের খবর, পুরোটা না হলেও সিকিমের কিছু এলাকায় রাস্তা থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানো হয়েছে। আটকে থাকা পর্যটকদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মীরা। প্রশাসনের দাবি, পর্যটকরা সকলেই সুস্থ রয়েছেন।
ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে উত্তরবঙ্গেও। বিপর্যস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। তবে কালিম্পংয়ের মানসং থেকে ১৭ মাইল, গরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি যাতায়াতের একটি পথ রয়েছে। তিস্তা ভ্যালি হয়েও অপর একটি রাস্তা রয়েছে। ওই দুটি রাস্তা দিয়ে সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে দুই রাজ্যের প্রশাসন। এছাড়াও আকাশপথে পর্যটকদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া ভাল না হলে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কারণ, সিকিমজুড়ে এখনও ভারী বৃষ্টিপাতের লাল সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে উত্তর সিকিমে। ফলে আবহাওয়ার উন্নতির উপরেই নির্ভর করছে উদ্ধারকাজের গতি।