বিএলও-দের সাম্মানিক দেওয়ার মতো টাকা নেই কমিশনের কাছে। ফের মুখ্যসচিবকে জরুরি ভিত্তিতে অর্থ পাঠানোর অনুরোধ জানানো হল চিঠিতে।
.jpeg.webp)
নির্বাচন কমিশন (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 6 February 2026 23:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিএলও, বিএলও সুপারভাইজার, ইআরও, এইআরও-দের সান্মানিক এখনও রিলিজ করেনি রাজ্য সরকার। এর আগেও মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে এই অর্থ রিলিজ করার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার ফের একবার মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হল কমিশনের তরফে। যত শীঘ্র-সম্ভব এই অর্থ রিলিজ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন নভেম্বরের শেষে জানিয়েছিল, বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার)-দের পারিশ্রমিক বাবদ রাজ্যের থেকে ৭০ কোটি টাকা পায় তারা। রাজ্যের অর্থ দফতর সেই টাকা আটকে রাখায় বিএলও-দের পারিশ্রমিক দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। ডিসেম্বরে রাজ্য টাকা না পাঠানোয় পারিশ্রমিক দিতে পারেনি বলেও জানানো হয়। টাকা চেয়ে নবান্নকে প্রথম চিঠির পর দ্বিতীয় চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। পরে বিএলওদের জন্য় বরাদ্দের ৬১ কোটি টাকা ছাড়ে রাজ্য। ওই টাকা দিয়েই ৯৫ হাজার বিএলও-কে সাম্মানিক দেওয়া হয়। বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল। প্রায় দু'মাস শেষ হতে যাচ্ছে, এখনও সেই বাকি টাকা পাওয়া যায়নি। তাই ফের চিঠি বলে জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ বার বিএলওদের পারিশ্রমিক প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে এ বার ১২ হাজার টাকা হয়েছে। বিশেষ ভাতা-সহ তাঁরা মোট ১৪ হাজার টাকা পাবেন। বিএলও সুপারভাইজারদের পাওয়ার কথা ১৮ হাজার টাকা। প্রায় ৮১ হাজার বিএলও কাজ করছেন। অভিযোগ, কমিশন বরাদ্দ অনুমোদনের পরেও তাঁদের টাকা দেওয়া যায়নি।
বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি, তার পরে সেই সব ফর্ম পূরণের পর সংগ্রহ করে কমিশনের কাছে পাঠানোর দায়িত্ব বিএলওদের কাঁধে। সেই কাজের জন্য বিএলও-দের জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
বিএলও-রা প্রতি বছর ভোটার তালিকা পর্যালোচনা (রিভিশন)-র কাজে ছ’হাজার টাকা পেতেন। তবে সেই সাম্মানিকের পরিমাণ বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। বিএলওদের একাংশের অভিযোগ, এসআইআরের সময়ে ভোটারদের তথ্য পূরণ করতে হচ্ছে। এর জন্য তাঁদের মোবাইলের ডেটা খরচ হচ্ছে। অনেক বিএলও-র আবার দাবি, তাঁদের কাছে স্মার্ট ফোন ছিল না। এই কাজের জন্য তাঁদের স্মার্ট ফোন কিনতে হয়েছে। সেই সব কথা ভেবে কমিশনের তরফে আরও ছ’হাজার টাকা পারিশ্রমিক দেবে বলে জানায়।
প্রায় ৮১ হাজার বিএলও কাজ করছেন। অভিযোগ, এখনও বিএলও-রা তাঁদের পারিশ্রমিক হাতে পাননি। যা নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।