
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 December 2024 19:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাইবার প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে। রোজই দেশের নানা প্রান্ত থেকে ডিজিটাল অ্যারেস্টের খবর আসছে। প্রতারণা হচ্ছে লক্ষ-কোটি টাকার। রাজ্যেও ট্যাব কেলেঙ্কারির ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে সরকারি প্রকল্পের টাকাও হাতানো একদম সহজ। এই অবস্থায় স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। প্রকল্পে গরমিল এবং বেনিয়ম ঠেকাতে সাহায্য নেওয়া হবে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার।
স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী অ্যাপে ব্যবহার করা হবে ‘জিয়ো ট্যাগিং’ এবং এআই। কোনও রোগীর জন্য পরিষেবা কখন শুরু বা শেষ হচ্ছে সেই তথ্য যুক্ত হবে স্বাস্থ্যসাথীর মোবাইল অ্যাপে। এর জন্য ব্যবহার হবে ‘জিয়ো ট্যাগিং’। তারপর সেই তথ্য খতিয়ে দেখা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে। তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে রোগী বা তার পরিবারের সরাসরি কোনও সংযোগ থাকবে না। রোগী পরিষেবার পর বেসরকারি হাসপাতালগুলি যখন সরকারের থেকে টাকা দাবি করবে তখন এই তথ্যগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
হাসপাতালগুলিকেও একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। বলা হয়েছে, চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে রোগী হাসপাতালে আছেন কিনা তার তথ্য নির্দিষ্ট সার্ভারে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে জিপিএস লোকেশন জানাতে হবে। রোগী পরিষেবার পর নির্দিষ্ট অ্যাপের সাহায্যে রোগীর ছবি ও ভিডিও তুলে পাঠাতে হবে স্বাস্থ্যভবনে।
যে অ্যাপের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে, তা হাসপাতালের ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের বাইরে কাজ করবে না। আর ছবি, ভিডিও, জিপিএস লোকেশন একবার পাঠানো হয়ে গেলে তা এডিট করা যাবে না। ছবি, ভিডিও জাল কিনা, তা পরীক্ষা করবে এআই।
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে যাতে জালিয়াতি বা তছরুপের মতো কোনও ঘটনা না ঘটে সেই কারণেই এইসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেনিয়ম ধরা পড়ে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের গাইডলাইন অনুসারে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। আসলে রোগী পরিষেবার জন্য টাকা আদায়ের সময়ে তথ্য বিকৃত করার অভিযোগ ওঠে হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে। তা রুখতেই এই পদক্ষেপ।