
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 6 February 2025 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের স্যালইন কাণ্ড তোলপাড় ফেলেছিল বাংলায়। প্রসূতি মৃত্যু এবং অনেকের অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য। স্পষ্ট দাবি, স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না।
রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন-কাণ্ডে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় রিপোর্ট দিয়েছে রাজ্য সরকার। বলা হয়েছে, গত ৮ ও ৯ জানুয়ারি হাসপাতালে আরএমও ছিলেন না। সিনিয়র ডাক্তাররাও ছিলেন না। একসঙ্গে পাঁচজন প্রসূতি ভর্তি হয়েছিলেন। স্টেট ড্রাগ কন্ট্রোল বলেছে, স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না। তবে সিআইডি এখন তদন্ত করে দেখছে, কীভাবে মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছিল।
এর পাশাপাশি রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত আরও বলেন, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।। এছাড়া ৩০ হাজার বোতল স্যালাইনের ব্যবহার ইতিমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। অসুস্থদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে সরকার। যদিও এই স্যালাইনের গুণমানের দায় রাজ্য এড়াতে পারে না বলেই মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে তাঁর নির্দেশ, রিপোর্টের কপি মামলাকারীর আইনজীবী সহ অন্যান্যদেরকে দিতে হবে।
এই সংক্রান্ত আরও একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে হাইকোর্টে। তবে সেই অংশ এখনই প্রকাশ্যে আনা হবে না। এদিকে সংশ্লিষ্ট স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থা আদালতে জানিয়েছে, তারা প্রায় দেড় কোটি বোতল এই স্যালাইন তৈরি করেছিল। কিন্তু কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা তারাও বুঝতে পারছেন না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ১০ দিন পর ফের এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।
প্রসঙ্গত, স্যালাইন কাণ্ডে ইতিমধ্যে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য সরকার। তাঁদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।