দ্য ওয়াল ব্যুরো : রবিবার সকালে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় ভেঙে পড়ে একটি হিমবাহ। তার ফলে ধস নামে এবং অলকানন্দা ও ধৌলিগঙ্গায় দেখা দেয় বন্যা। এর ফলে রাইনি গ্রামে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নদীর তীর থেকে মানুষকে সরিয়ে আনা হচ্ছে। ত্রাণের জন্য ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশের কয়েকশ কর্মীকে নিয়োগ করেছে। রাজ্য সরকার মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, কেউ যেন বিষ্ণুপ্রয়াগ, যোশিমঠ, কর্ণপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ, শ্রীনগর, হৃষিকেশ এবং হরিদ্বারে অলকানন্দা বা গঙ্গার তীরে না যান। বন্যায় অনেকেই নিজেদের বাড়িতে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
https://twitter.com/ANI/status/1358298567287267329
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত টুইট করে বলেন, "চামোলি জেলা থেকে বিপর্যয়ের খবর এসেছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে বলা হয়েছে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে।" মুখ্যমন্ত্রী আবেদন জানিয়েছেন, গুজবে কান দেবেন না। প্রশাসন সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
https://twitter.com/utkarshs88/status/1358305897966014464
চামোলি জেলার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি টুইট করেছেন, "অলকানন্দার নিম্ন অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা আছে। নদীর তীরে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। তাঁদের সরিয়ে আনা হচ্ছে।"
চামোলি পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে, 'তপোবন রাইনি অঞ্চলে হিমবাহ ভেঙে পড়েছে। তার ফলে হৃষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষতি হয়েছে। অলকানন্দা নদীতে জল বাড়ছে। নদীর তীরে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরে আসতে বলা হচ্ছে।'