খড়দহের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে অবশ্য দেখা যায়নি। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে এই মিছিল নিয়ে কথা বলার সময় মেজাজ হারালেন তিনি। তবে তিনি জানান, পরিস্থিতির বিষয়ে লোকাল পুলিশ অর্থাৎ রহড়া পুলিশকে কিছু জানাবেন না। যা জানানোর ওপর মহলকে জানাবেন।

শেষ আপডেট: 19 November 2025 19:34
প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর: এলাকায় দিন দিন বেড়ে চলেছে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য। মদ-জুয়া-সাট্টার রমরমা। এমনটাই অভিযোগ রহড়ার বাসিন্দাদের। সম্প্রতি এলাকার এক যুবক ছুরির আঘাতে জখম হন। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ হয়েও লাভ হয়নি। এ সবেরই প্রতিবাদে বুধবার পথে নামলেন রহড়ার বাসিন্দারা। তাতে সামিল হতে দেখা যায় এলাকার বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে (TMC Leader)।
যদিও তৃণমূলের ব্যানারে বা পতাকা নিয়ে এই মিছিল হয়নি। এই মিছিল অরাজনৈতিক বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। রহড়া এলাকায় মদ-জুয়া এবং সমাজবিরোধীদের দৌরাত্মের প্রতিবাদে এই মিছিলে সামিল ছিলেন তৃণমুলের দমদম- ব্যারাকপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক সুকুর আলি, বিলকান্দা-২ এর পঞ্চায়েত প্রধান দীপা পাইক, ব্যারাকপুর-২ এর ব্লক সভাপতি প্রবীর রাজবংশী সহ অন্যান্য তৃণমুল কর্মীরা। নাগরিক মঞ্চের নামে প্ল্যাকার্ড এবং ফেস্টুন নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটলেন তৃণমুল নেতৃত্ব। এবং তাঁরা দাবি করেন এলাকার নাগরিকদের ডাকে তাঁরা এই প্রতিবাদে নেমেছেন। রহড়া থানার পুলিশের নিস্ক্রিয়তারও অভিযোগ তোলেন তৃণমুল কর্মীরা।
সেই মিছিলে খড়দহের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে অবশ্য দেখা যায়নি। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে এই মিছিল নিয়ে কথা বলার সময় মেজাজ হারালেন তিনি। তবে তিনি জানান, পরিস্থিতির বিষয়ে লোকাল পুলিশ অর্থাৎ রহড়া পুলিশকে কিছু জানাবেন না। যা জানানোর ওপর মহলকে জানাবেন।
অপরদিকে বিজেপি নেতা জয় সাহার দাবি, এলাকায় অসামাজিক কাজকর্মে যে বিশাল টাকা উড়ছে, তার ভাগ পাচ্ছেন না। তাই এই মিছিল। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজে না গিয়ে ব্লক সভাপতি, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এদের দিয়ে মিছিল করাচ্ছেন। সবমিলিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে।