দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিখুঁত স্পট জাম্প। ডান, বাঁ—সব দিকেই সাবলীল। শূন্যে শরীর ছুড়ে একের পর এক ক্যাচ ধরে যাচ্ছে। কোনও ক্লান্তি নেই। নাহ! কোনও ক্রিকেটার নয়। এমন কাণ্ড ঘটাচ্ছে একটি বিড়াল। যা দেখে টুইটারে উদ্বেগ প্রকাশ করে শচীন তেন্ডুলকর বললেন, “আমার বন্ধু জন্টি রোডসের জন্য কঠিন প্রতিযোগিতা!”
এখনও ক্রিকেট মাঠে যে কোনও দেশের ক্রিকেটার শূন্যে শরীর ছুড়ে ভাল ক্যাচ ধরলে অনেকেই বলে ওঠেন, “আহা! অবিকল জন্টি!” দক্ষিণ আফ্রিকার এই ক্রিকেটার ফিল্ডিংয়ের কিংবদন্তী। শচীনকেও অনেক ম্যাচে নিশ্চিত বাউন্ডারির শট খেলতে গিয়ে জন্টির তালুবন্দি হয়ে প্যাভেলিয়নে ফিরতে হয়েছে। সেই জন্টির জন্যই এবার চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার।
https://twitter.com/sachin_rt/status/1292035829070573568
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে কখনও ডানদিক, কখনও বামদিকে শূন্যে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ ধরছে একটা বিড়াল। ছোট ক্রিকেট বলে চলছে এই ক্যাচের প্র্যাকটিস। এক তরুণী একটি গলফ স্টিকে করে বলগুলিকে মারছে। বিড়ালটি নিজের দু’পায়ের উপর দাঁড়িয়ে সামনের দু’পায়ে দিয়ে তা ধরে ফেলছে অনায়াসে।
ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মোট তিনবার বিড়ালটির দিকে বল মারছেন ওই তরুণী। আর তিনবারই সেই ক্যাচ সে ধরে ফেলছে। ঠিক যেন বিড়ালদের জন্টি রোডস। অনেক সেরা ফিল্ডাররাও ১০০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হন না। কিন্তু এই বিড়াল তিনে তিন।
শচীনের আগে প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ডিন জোন্স থেকে শুরু করে ভারতের ধারভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে এমনকি শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কাও রয়েছেন সেই তালিকায়। প্রত্যেকেই বিড়ালটির রিফ্লেক্সে মুগ্ধ হয়েছেন। সেটাই ফুটে উঠেছে তাঁদের টুইটের ক্যাপশনে। শচীন ডিন জোন্সের টুইটটিই রিটুইট করেছেন। হর্ষ ভোগলে মুগ্ধ বিড়ালটির দ্বিতীয় ক্যাচ নিয়ে। তিনি লিখেছেন, “ওই দ্বিতীয় ক্যাচটা!” আর হর্ষ গোয়েঙ্কা তো সরাসরি বলে দিয়েছেন বিড়ালটিকে আইপিএলে ফিল্ডার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।