প্লাস্টিক পাউচ আর নয়, দুধ নিতে হবে বুথ থেকেই, প্লাস্টিক বর্জনে অভিনব উদ্যোগ মাদার ডেয়ারির
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্লাস্টিকের প্যাকেটে বন্দী দুধ সুরক্ষিত নয়। যত্রতত্র প্লাস্টিক পাউচ ছড়িয়ে দূষণও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। কাজেই প্যাকেটবন্দী দুধের বদলে সেই পুরনো পদ্ধতি মেনে বুথেই ফিরতে চাইছে মাদার ডেয়ারি।
সোমবার মাদার ডেয়ারির তরফে জানানো হয়েছ
শেষ আপডেট: 30 September 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্লাস্টিকের প্যাকেটে বন্দী দুধ সুরক্ষিত নয়। যত্রতত্র প্লাস্টিক পাউচ ছড়িয়ে দূষণও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। কাজেই প্যাকেটবন্দী দুধের বদলে সেই পুরনো পদ্ধতি মেনে বুথেই ফিরতে চাইছে মাদার ডেয়ারি।
সোমবার মাদার ডেয়ারির তরফে জানানো হয়েছে, প্লাস্টিক প্যাকেট বর্জন করলে লিটার প্রতি দুধের দামও কমবে। আপাতত প্রতি লিটারে ৪ টাকা কমিয়ে বুধ থেকেই দুধ বেচবে সংস্থা। পরিকল্পনা আরও আছে। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, বুথে লাইন দিয়ে দুধ নিতে এখন অনীহা অনেকেরই। চটজলদি উপায় হিসেবে তাই প্লাস্টিক পাউচের ব্যবহার বাড়ছিল। এটা বন্ধ করার সেরা উপায় 'টোকেন মিল্ক।' বাড়ি বাড়ি গিয়ে দুধ সাপ্লাই করার ভাবনাও রয়েছে সংস্থার।
মাদার ডেয়ারির এই নতুন স্কিম চালু হয়েছে দিল্লি, গুরগাঁও, ফরিদাবাদ ও গাজিয়াবাদে। সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, বুথের ভাবনায় সায় দিয়েছেন অনেকেই। দামও কিছুটা কমায় দুধের বিক্রিও বেড়েছে অনেকটাই। এই চারটি শহরে মোট ৯০০ বুথে প্রতিদিন প্রায় ৬ লক্ষ লিটার করে দুধ বিক্রি হয়েছে। টোকেন মিল্কের চাহিদা বাড়ায়, প্রতি বুথে দুধের যোগান আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে মাদার ডেয়ারি।
মাদার ডেয়ারি ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সংগ্রাম চৌধুরী জানিয়েছেন, এই ভাবে বুধ থেকে দুধ নিলে লিটার প্রতি টোকেন মিল্কে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমবে ৪.২ গ্রাম। বছরের হিসেবে যেটা দাঁড়াবে প্রায় ৯০০ মেট্রিক টন।
দিল্লির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার রিপোর্ট বলছে, গোটা রাজধানীতে প্লাস্টিকের দূষণ মাত্রাছাড়া। এর ৫৭ শতাংশই মাদার ডেয়ারি বা আমুল মিল্কের প্যাকেট বা পলিথিনের পাউচ। বস্তুত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন, ২০২২ সালের মধ্যে প্লাস্টিকমুক্ত দেশ গড়তে চান তিনি। আগামী ২ অক্টোবর, মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনেই হবে তার প্রথম পদক্ষেপ। ওই দিন থেকে ছ’রকমের প্লাস্টিকজাত দ্রব্য নিষিদ্ধ হবে গোটা দেশে। প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে কয়েকটি রাজ্যে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সম্প্রতি অনলাইন ব্যবসার সংস্থাগুলিকেও জানানো হয়েছে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে তাদের সামগ্রী প্যাক না করতে। তা হলেই বার্ষিক প্লাস্টিক ব্যবহার চল্লিশ শতাংশের কাছাকাছি কমানো যাবে বলে সরকারি সূত্র জানাচ্ছে।
