
শেষ আপডেট: 3 August 2018 06:49
কিন্তু কীভাবে তাঁরা ঔরঙ্গজেবের খুনের বদলা নেবেন। তাঁদের বক্তব্য, 'উপায় একটাই। সেনাবাহিনীতে যোগ দিতেই দেশে ফিরেছি আমরা। এভাবেই আমরা আমাদের ভাইয়ের খুনের বদলা নেব।' শুধু এই ৫০ জনই নন, ঔরঙ্গজেবের ভাই মহম্মদ কাশিম নিজেও সেনাবাহিনীতে রয়েছেন। তিনি বলেন, 'ঔরঙ্গজেব ও আরও যেসব সেনা জওয়ান ও পুলিশকর্মী এই কদিনে জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন, তাতে জঙ্গিদের থেকেও বেশি ভূমিকা আছে যারা তাদের খবর দিচ্ছে সেই গুপ্তচরদের। তাদের খবরেই এভাবে অতর্কিতে আক্রমণ করছে জঙ্গিরা।'
কিন্তু কেন বারবার কাশ্মীরের স্থানীয় পুলিশ ও সেনা জওয়ানদেরই টার্গেট করা হচ্ছে? জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি এস.পি ভেদ জানান, 'গত কয়েক মাসে কাশ্মীরে সেনার তৎপরতায় অনেক জঙ্গি মারা গিয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বহু জঙ্গি ঘাঁটি। তাই এভাবে স্থানীয় সেনা ও জওয়ানদের অপহরণ ও খুন করে তারা চাইছে সেনার মনোবল নষ্ট করতে।'
কিন্তু জঙ্গিদের এই উদ্দেশ্য যে কোনও দিনই সফল হবে না, সেটাও জানিয়েছেন ডিজি। তাঁর বক্তব্য, 'মৃত্যুর ভয় জওয়ানরা পান না। তাই এভাবে তাঁদের দমিয়ে রাখা যাবে না। উল্টে সেনার হাতেই কোমর ভেঙে যাবে জঙ্গিদের।'
কাশ্মীরের যুবকদের মধ্যে সেনায় যোগ দেওয়ার প্রবণতা ভরসা যোগাচ্ছে ডিজি'র এই বক্তব্যকে। ঔরঙ্গজেবের বন্ধুরাও প্রমাণ করছেন, এক ঔরঙ্গজেবকে মেরে থামানো যাবে না তাঁদের। তাঁরা ফিরে আসবেন, বারবার। আরও হাজার হাজার ঔরঙ্গজেব হয়ে।