
শেষ আপডেট: 3 April 2024 20:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: সরকারি আধিকারিককে গালিগালাজ করার সময় প্রশ্ন করেছিলেন দলেরই এক সাধারণ কর্মী। এটাই ছিল তাঁর অপরাধ। বচসার মধ্যে কারণ জানতে চাওয়ায় তাঁকে মারধর করলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি! এমনই অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত যুবনেতা মেহেবুব হাসান সরদারের বিরুদ্ধে। দলের কর্মীর নাক-মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চায়েত অফিসের ভেতরে এক ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে বচসা চলছিল মেহেবুব হাসান সরদারের। দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের যুব তৃণমূলের সভাপতি হিসাবে এলাকায় পরিচিতি রয়েছে তাঁর। ওই বচসা চলাকালীন এক তৃণমূল কর্মী আব্দুল আলিম মণ্ডল দলের যুব সভাপতির কাছে সমস্যার কারণ জানতে চান। অভিযোগ তখনই মেহেবুব হাসান তাঁর উপর চড়াও হয়ে তাঁকে মারধর করেন। মারের চোটে নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে ওই কর্মীর। এর পরেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।
বিরোধীদের অভিযোগ, মেহেবুব হাসান এদিন পঞ্চায়েতের ওই ইঞ্জিনিয়ারের কাছে কাটমানি চাইতে গিয়েছিলেন। তাই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়েছিল। সেখানে শাসকদলেরই অঞ্চল সভাপতির এক ঘনিষ্ঠ সেই বচসা থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন।
আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী আব্দুল আলিম বলেন, "মেহবুব হাসান সরদার ইঞ্জিনিয়ারকে গালিগালাজ করছে দেখে আমি শুধু জিজ্ঞেস করেছিলাম। কী হয়েছে দাদা? ব্যাস তখনই মেহেবুব হাসান আমাকে মারধর করে। ঘুষি মেরে নাক, মুখ ফাটিয়ে দেয়। ওঁর কাছে একটি অস্ত্র ছিল। তবে সেটা কী ধরনের অস্ত্র তা ঠিক মতো দেখতে পাইনি।"
লোকসভা ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। তাঁদের দাবি, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে কাটমানির জন্য কোনও মারপিটের ঘটনা ঘটেনি।