.webp)
শেষ আপডেট: 20 October 2023 17:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: তাঁকে নিয়ে এখন গোটা দেশজুড়ে বিতর্ক। আর্থিক দুর্নীতি থেকে কুকুর চুরি পর্যন্ত। সেইসব অভিযোগ একেবারে কেচ্ছার স্তরে পৌঁছেছে কোনও কোনও জায়গায়। তবে তাতে কী! পুজোকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের জনসংযোগের বাজারে কিন্তু মোটেই পিছিয়ে নেই তিনি। ষষ্ঠীর দিন নিজের লোকসভা এলাকায় পরের পর পুজো উদ্বোধন করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে।
এদিন সকাল থেকেই কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদকে। বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরে সচেতনতার বার্তাও দিলেন তিনি। যেমন বললেন, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে ঠাকুর দেখতে, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে। ষষ্ঠী থেকেই শুরু হয়ে গেছে মহুয়ার জনসংযোগ।
ওইদিন সর্ব প্রথম উদ্বোধন করেন তেহট্ট থানার বেতাই কলেজ পাড়ার দোলনচাঁপা আনন্দধারা মহিলা সমিতির দুর্গাপুজো। এখান থেকে বেতাই ইটখোলাপাড়ায় যান তিনি। এরপর সাহাপুর হয়ে তেহট্টের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজো উদ্বোধন করেন মহুয়া। সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন। তবে বিতর্কিত কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেননি তিনি। জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন “পুজোর দিনগুলিতে পুলিশ প্রশাসনের উপর খুব চাপ থাকে। আপনারা সুষ্ঠুভাবে পুজো করুন। আনন্দ করুন, তবে সতর্ক থাকবেন। প্রশাসনের সমস্ত নির্দেশিকা মেনে চলবেন। দেখবেন আপনাদের আনন্দ যেন অন্যের নিরানন্দের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।” সাংসদের সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তাপস কুমার সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য দিলীপ পোদ্দার, তেহট্ট থানার আইসি অভিজিৎ বিশ্বাস সহ অন্যরা।
আর এতেই বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়েন তিনি। বিজেপির বক্তব্য, সংসদের রীতিনীতি সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছেন। এখনও সাধারণ মানুষকে জ্ঞান দিচ্ছেন তৃণমূলের সাংসদ। রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, "সারাবছর ওঁর কোনও কাজ নেই। এখন য়াই হযে যাক মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে।"