
শেষ আপডেট: 14 December 2023 13:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বৃহস্পতিবার হুগলিতে ডিওয়াইএফআই এর ইনসাফ যাত্রার তৃতীয় দিন। চুঁচুড়া ঘড়ির মোর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে যাবে বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী। পদযাত্রায় অংশ নেওয়া ডিওয়াইএফআই এর রাজ্য সম্পাদক মিনাক্ষী মুখার্জি-সহ বাম যুব নেতৃত্বকে সংবর্ধনা দেওয়া চলছে বিভিন্ন জায়গায়। পদযাত্রা যে যে রাস্তা দিয়ে যাবে সেই পথ সাজানো হয়েছে পতাকা ফেস্টুনে। সেই সাজেই চুঁচুড়ার কেওটা ত্রিকোন পার্ক এলাকায় তৃণমূলের একটি তোরণদ্বার ঢাকা পড়ে বামেদের পতাকার কলাগাছে।
খবর পেয়েই পৌঁছে যান চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। বলতে থাকেন, “সাজানো আমি দু মিনিটে বন্ধ করে দিতে পারি।” বিধায়কের হুমকিতে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায় কেওটা ত্রিকোণ পার্ক এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে বাম নেতৃত্ব পতাকার কলাগাছ সরিয়ে দেন।
চুঁচুড়া মাঠে প্রতিবছর ডিসেম্বরের শেষে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিতবাবু। তারই প্রচারে হুগলি চুঁচুড়া শহর জুরে তোরণ করা হয়েছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসিত মজুমদারের ছবি রয়েছে সেই তোরণে। ডিওয়াইএফআই এর কলাগাছে ছবি ঢাকা পড়তেই খবর যায় বিধায়কের কাছে। গাড়ি নিয়ে ত্রিকোণ পার্কে পৌঁছে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি।
অসিত বলেন, “ইনসাফ যাত্রা করছে করুক। আমার তোরণ ঢেকে দিয়েছে কলাগাছে। ওদের হাতে সাঁইবাড়ির রক্ত লেগে আছে। মরিচ ঝাঁপি, আনন্দমার্গি হত্যার রক্ত আছে। বাংলার মানুষ ওদের ইনসাফ করে শূন্য করে দিয়েছে। ইনসাফ কোনও দিন পাবে না। এখন রাম-বাম এক হয়েছে। ২০২৪ সালে যোগ্য জবাব দেবে মানুষ।”
বাম নেতা গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ইনসাফ যাত্রার জন্য সাজানো হয়েছিল। ওদের আপত্তি ফুটবল খেলার তোরণ নাকি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে না। রাতে সাজানো হয়েছিল। আমরা সকালে দেখে স্থানীয় কাউন্সিলরকে বলেছিলাম অসুবিধা হলে সরিয়ে নেব। ওরা বলল বিধায়ক এসে যা করার করবে। ওরা বলছে আমরা নাকি অশান্তি চাই। আমাদের পদযাত্রা আমাদের কর্মসূচি আমরা তো চাইব শান্তিপূর্ণভাবে হোক।”
৩ নভেম্বর কোচবিহার থেকে ইনসাফ যাত্রা শুরু হয়েছে। ৪০ তম দিনে হুগলির উত্তরপাড়ায় পদযাত্রা। বুধবার ঘড়ির মোড়ে সভা করেন মিনাক্ষী মুখার্জি সহ বাম যুব নেতৃত্ব। আজ চুঁচুড়া থেকে পদযাত্রা ত্রিবেণী হয়ে বলাগড়ের দিকে যাবে।