বুধবার নির্যাতিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে ভোটার কার্ডের কাজের সূত্রে ওই পুরপ্রতিনিধির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। তখন কাউন্সিলর বিবাহিত এবং সন্তানের বাবা।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 30 October 2025 13:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ে গোপন রেখে প্রতারণা, শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা - এই অভিযোগে বীরভূমের এক তৃণমূল কাউন্সিলরের (TMC Councilor) বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ নিল শাসক দল। মামলার ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই অভিযুক্তকে দল থেকে বহিষ্কার (Suspend) করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) নির্দেশেই ওই কাউন্সিলরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় দলীয় নেতৃত্ব। রাজ্যের ডেপুটি স্পিকার ও রামপুরহাটের বিধায়ক (Rampurhat MLA) আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই কাউন্সিলরকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বহিষ্কার করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেন।
অভিযুক্ত দলের শহর কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। আশিসের কথায়, দল কোনও অভিযোগকে হালকাভাবে দেখে না। যেই হোক, অপরাধ করলে শাস্তি পাবেই।
বুধবার নির্যাতিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে ভোটার কার্ডের কাজের সূত্রে ওই পুরপ্রতিনিধির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। তখন কাউন্সিলর বিবাহিত এবং সন্তানের বাবা। কিন্তু সেই তথ্য গোপন করে নাকি যুবতীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, মেয়েটির পরিবারও বিয়ের কথাবার্তা শুরু করলে অভিযুক্ত তখন নিজের বৈবাহিক পরিচয় সামনে এনে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। পরে যুবতীর অন্যত্র বিয়ে হয়। তবে তার পরেও নাকি জোর করে সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিতার দাবি, জোর করে সম্পর্কের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ২০২০ সালে সন্তানের জন্ম হয়। ফলে তাঁর স্বামী সব জেনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছেন। সেটির রায় এখনও হয়নি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রামপুরহাট এলাকায়। দলীয় শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।