
শেষ আপডেট: 15 December 2023 15:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল কাউন্সিলারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে হামলার অভিযোগ আনলেন রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার। অভিযুক্ত, রাজপুর টাউন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রতীক দে অবশ্য পুরো বিষয়টাই অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, দল কখন তদন্ত করবে সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন তিনি।
পাপিয়ার অভিযোগ, সম্প্রতি মদ্যপ অবস্থায় লোকজন নিয়ে এসে বাড়িতে ঢুকে তাঁর বাবা, মা, দাদাকে গালিগালাজ করে প্রতীক। তাঁকে বিয়ে না করলে ঘরের বাইরে বেরোনো বন্ধ হয়ে যাবে বলে হুমকি দেয়। তিনি বলেন, “ওদের হুমকিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছি আমি। মাইল্ড অ্যাটাক হয়। সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তার। ওরা আমাকে বলে বিয়ে না করলে দল ছাড়তে হবে। ওয়ার্ড অফিসে বসা যাবে না।” সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পাপিয়া। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া হালদারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল তৃণমূল নেতা প্রতীক দের। কিন্তু বর্তমানে পাপিয়া সেই সম্পর্ক রাখতে নারাজ। প্রতীকের পাল্টা অভিযোগ কাউন্সিলার সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। এখন তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। প্রতীক বলেন, “আমি কাউকে কোনও হুমকি দেইনি। ওয়ার্ড অফিসের করুণ দশার জন্য তিনি সেখানে বসতে পারছেন না। আমাকে তোলাবাজ বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করছেন। তোলাবাজি করলে আমার বাড়ি-গাড়ি হত। সে সব কিছুই হয়নি। যাঁরা বলছেন, তাঁদের জীবনযাত্রাও সবাই দেখছে। কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতেই পারে, কিন্তু সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।”
সুবিচার পাওয়ার জন্য পুলিশের পাশাপাশি দলকেও গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন পাপিয়া। দল কী ব্যবস্থা নেয়, সেদিকেই তিনি তাকিয়ে আছেন বলে জানান। অন্যদিকে প্রতীকেরও বক্তব্য, দল তদন্ত করুক। তিনি যদি দোষী হন, দল যে শাস্তি দেবে মাথা পেতে নেওয়ার জন্য তিনি তৈরি আছেন বলে জানান।