
শেষ আপডেট: 12 January 2020 04:22
তিনি বলেন, “অনেকেই অভিযোগ করেন যে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও অশিক্ষা এখনও দেশে রয়েছে কিন্তু নবীনদের এই দাবি বহন করে নিয়ে গেলে চলবে না। যেদেশে ১৩০ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে সেই দেশকে কেউ অগ্রাহ্য করতে পারে না।”
সদ্য স্নাতক হওয়া ছাত্রছাত্রীদের তিনি পরামর্শ দেন যাতে ভারতের সমস্যা মিটবে এমন গবেষণাধর্মী স্টার্ট-আপের দিকে তাঁরা নজর দেন। উদাহরণ হিসাবে তিনি বলেন যে কৃষকরা বাধ্য হচ্ছেন নাড়া পোড়াতে, এই সমস্যা যদি মেটানো সম্ভব হয়। দিল্লির দূষণের জন্য এই নাড়া পোড়ানো অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করা হয়।
অমিত শাহ বলেন, “পরিবেশকর্মীরা এ ব্যাপারে দোষ দেন কৃষকদের। তাঁরা বলেন যে কৃষকরা দূষণের সমস্যা বোঝেন না। কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গেই বাস করেন, তাঁরা সমস্যা বোঝেন কিন্তু এর কোনও সমাধান নেই।” এই সমস্যা মেটানোর জন্য তিনি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে আহ্বান করেন।
প্রযুক্তির সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার উপরেও জোর দেওয়ার কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকার এখন স্পেস টোকনোলজি মানচিত্র ব্যবহার করে খনিজ ব্যবস্থাপনা করছে। এর ফলে গতি পাবে খনি ক্ষেত্র।”
তিনি জানিয়েছেন, সীমান্তে পোস্ট স্থাপনের প্রস্তাব অনেকে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরামর্শ দিয়েছেন এব্যাপারে উপগ্রহ প্রযুক্তি ব্যবহার করার। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের দেশ ও প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এই ধরনের পঁয়তাল্লিশটি পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বলছে যে ওই সব এলাকায় আগামী বিশ বছর আর কোনও পোস্ট দরকার হবে না।”
তিনি মাতৃভাষায় কথা বলার আবেদনও করেন তরুণদের কাছে। তিনি বলেন, “এজন্য হয়তো সংবাদমাধ্যম আমার সমালোচনা করবে, তা সত্ত্বেও আমি বলছি আপনারা মাতৃভাষায় কথা বলুন।”