Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

শনিগ্রহকে ঘিরে থাকা বলয়ের মৃত্যু হচ্ছে, দাবি বিজ্ঞানীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিগ্রহকে ঘিরে থাকা বলয়ের নাকি মৃত্যু ঘটছে। ইতিমধ্যে বলয়ের অর্ধেকের আর অস্তিত্বই নেই। এমনই দাবি করেছে সৌরজগৎ ও গ্রহ সংক্রান্ত পত্রিকা ইকারাস। ম্যাগাজিনটিতে দাবি করা হয়েছে, ওই বলয় যে সব জিনিস দিয়ে তৈরি সেগুলি বৃষ্টির মতো ঝরে

শনিগ্রহকে ঘিরে থাকা বলয়ের মৃত্যু হচ্ছে, দাবি বিজ্ঞানীদের

শেষ আপডেট: 19 December 2018 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিগ্রহকে ঘিরে থাকা বলয়ের নাকি মৃত্যু ঘটছে। ইতিমধ্যে বলয়ের অর্ধেকের আর অস্তিত্বই নেই। এমনই দাবি করেছে সৌরজগৎ ও গ্রহ সংক্রান্ত পত্রিকা ইকারাস। ম্যাগাজিনটিতে দাবি করা হয়েছে, ওই বলয় যে সব জিনিস দিয়ে তৈরি সেগুলি বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে শনিগ্রহের ভিতরেই। ফলে আস্তে আস্তে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনিগ্রহের বিখ্যাত বলয়টির জন্য এই গ্রহটিকে দেখতে অন্য গ্রহের থেকে আলাদা। তবে এই রিং বা বলয় শনিগ্রহের জন্মের সময় থেকেই তাকে ঘিরে আছে, না কি পরে সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে মতান্তর আছে। অনেকে বলেন, লুপ্ত হয়ে যাওয়া ডাইনোসরেরা যদি টেলিস্কোপ দিয়ে সৌরমণ্ডল দেখত, তা হলে দেখত বলয় নেই। তার মানে শনির বলয় গোড়া থেকেই যে ছিল এমন নয়। শনির বলয় নিয়ে গবেষণায় যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই জেমস ডোনোহিউ বলেন যে আমরা ভাগ্যবান যে বলয়টি আমরা দেখতে পাচ্ছি। অনেক বিজ্ঞানীই বলেন যে শনির বলয় তৈরি হয়েছে অনেক পরে। গ্রহটি তৈরি হওয়ার পর তা থেকে নানারকম ধ্বংসাবশেষ বেরিয়ে বলয় তৈরি হয়েছে। আবার অনেকে বলেন যে একাধিক ধুমকেতু, উল্কা, গ্রহাণু ও চাঁদ শনির কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ভেঙে যায়। ভাঙা টুকরোগুলিই জুড়ে জুড়ে তৈরি হয় বলয় বা রিং। সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ হলো শনি। শনিকে তার বলয় ছাড়া ভাবাই যায় না। টেলিস্কোপে দেখলে মনে হয় শনির বলয় কোনও কঠিন জিনিস দিয়ে তৈরি। কিন্তু ভয়েজার ও ক্যাসিনি মহাকাশযান থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে শনির বলয় নানা আকারের ও সাইজের টুকরো টুকরো সৌরকণা দিয়ে তৈরি। শনির নিজের মাধ্যাকর্ষণের জোরে গ্রহটিকে বলয়ের মতো ঘিরে থাকে ওই সব নানারকম টুকরো। শনির মাধ্যাকর্ষণ ওই সৌরকণাগুলিকে নিজের দিকে টেনে রাখে। আর কক্ষপথের তীব্র গতিবেগ তাদের মহাশূন্যে ভাসিয়ে রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যের আলো বা অন্য মহাজাগতিক কারণে শনির বলয়ের সৌরকণাগুলিতে বিদ্যুৎ তৈরি হয় এবং সেগুলি শনির চুম্বক ক্ষেত্রর দিকে ধাবিত হয়। ফলে বলয় থেকে কণা ঝরে পড়ে শনিগ্রহের ভিতরে। ঝরে পড়ার সময় ওই সব কণা হাইড্রোজেন ও জলীয় কণায় পরিণত হয়। ডোনোহিউ ও তাঁর সহকর্মীরা বিশাল এক টেলিস্কোপ দিয়ে এই মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছেন। শনির চুম্বকক্ষেত্র এত শক্তিশালী যে তা প্রতি ৩০ মিনিটে অলিম্পিক সাইজের সুইমিং পুলের মতো পরিমাণে সৌরকণাকে নিজের ভিতরে টেনে নিতে পারে। সবমিলিয়ে গবেষকদের দাবি, দশ কোটি বছরের মধ্যে অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে শনির বলয়। সময়টা শুনে চোখ কপালে উঠলেও মহাবিশ্বে, মহাকাশে মহাকালের মাঝে দশ কোটি বছর কিন্তু এমন কিছু নয়!

```